ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeলিডস্বাস্থ্য খাত সংস্কারে সময় প্রয়োজন: উপদেষ্টা সতর্ক

স্বাস্থ্য খাত সংস্কারে সময় প্রয়োজন: উপদেষ্টা সতর্ক

নিউজ ডেস্ক : স্বাস্থ্যখাতে বিদ্যমান গভীর সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়। সময় ও ধারাবাহিক পরিকল্পনা দরকার, এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।

বন্যা-প্রবণ এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শনকালে তিনি স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্রে ও ক্লিনিকে ওষুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ সরঞ্জামের ঘাটতি দেখে দ্রুত সরবরাহ ও স্বাস্থ্যকর্মীর মাঠসেবা শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি পুনরুদ্ধার ও সেবার মান উন্নত করতে সকল স্তরে ব্যাপক সময় ও সহযোগিতা লাগবে। স্থানীয় পর্যায়ে ডায়রিয়া, কলেরা ও ত্বকের সংক্রমণের ঝুঁকি মোকাবেলায় সতর্কতা ও প্রস্তুতি জরুরি।

এদিকে গ্লোবাল প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় (WHO) সদস্যপদ শেষ হওয়া থেকে উদ্ভূত অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় সরাসরি ও পরোক্ষ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে,বিশেষ করে আর্থিক সহায়তা, প্রযুক্তিগত সহায়তা, ও আন্তর্জাতিক রোগসুরক্ষা জড়িত কার্যক্রমে শিথিলতা দেখা দিতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাগুলি জানাচ্ছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে WHO থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় সংস্থাটির বাজেট ও কর্মী-ক্ষমতায় বড় ধাক্কা পড়েছে; WHO-এর প্রধান ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা এ অবস্থাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য প্রতিরোধে বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন।

বাংলাদেশের জন্য কী অর্থ হতে পারে? প্রতিবেদনে আলোচনা করা হয়েছে যে WHO-র সরাসরি তহবিল ও প্রোগ্রামের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে; টিকাদান, রোগতদারকি, জরুরি রোগ প্রতিক্রিয়া ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। স্থানীয়ভাবে পরিচালিত পানীয়জল নিরাপত্তা, রোগ-নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা, ও রোগতত্ত্ব-প্রশিক্ষণ শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক ফান্ড ক্ষতিপূরণ ছাড়া নিজস্ব প্রস্তুতি গড়তে হবে—এমন প্রতিস্থাপন পরিকল্পনায় দ্রুত কাজ শুরু করার সুপারিশ করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষতি কমাতে (ক) সরকারি বাজেটে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়ানো, (খ) জেলা-স্তরের রোগতত্ত্ব ও জরুরি সেবা কেন্দ্রে বিনিয়োগ, (গ) টিকাদান ও ন্যূনতম চিকিৎসা সরবরাহে স্থানীয় উৎপাদন ও স্টক প্রস্তুত রাখা, এবং (ঘ) বহুপক্ষীয় ধাঁচে অন্য আন্তর্জাতিক সহায়তাকারী সংস্থা ও দাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় শক্তিশালী করার প্রয়োজন। এই উদ্যোগগুলো জোরদার করলে WHO-র তাত্ক্ষণিক তহবিল-সঙ্কটে থাকা সত্ত্বেও দেশের স্বাস্থ্য সিস্টেমটি টিকে থাকতে পারবে।

ঢাকানিউজ২৪/মহফ

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular