নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ক্ষুদ্র, মাঝারি কিংবা বড়— সব ধরনের ব্যবসায়ী নিজ নিজ ব্যাংকের মাধ্যমে সহজেই বাংলা কিউআর কোডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট
এজন্য আবেদনকারীর যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকে একটি সেভিংস, কারেন্ট অথবা এসএনডি অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
এ ছাড়া আবেদনকারীর নামে একটি ব্যাংক হিসাব এবং একটি বৈধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে। এরপর নির্ধারিত বাংলা কিউআর আবেদন ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা কর্মকর্তা বা ব্যবস্থাপকের কাছে জমা দিতে হবে।

মূল কার্ড বিভাগ
আবেদন জমা হওয়ার পর ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে সেটি মূল কার্ড বিভাগে পাঠাবে। সাধারণত তিন থেকে চার কার্যদিবসের মধ্যে কিউআর কোড প্রস্তুত করা হয় এবং এসএমএস বা ই-মেইলের মাধ্যমে আবেদনকারীকে বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হয়।
সিএমএস সফটওয়্যার
পরে ব্যাংকের শাখার সিএমএস সফটওয়্যারে কিউআর কোড আপলোড হওয়ার পর ব্যবসায়ী শাখা থেকে সেটি প্রিন্ট করে সংগ্রহ করতে পারবেন এবং নিজের প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শন করতে পারবেন।
যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন
মাসিক লেনদেনের পরিমাণ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক মার্চেন্টদের দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেছে।
শ্রেণি ১
মাসে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত লেনদেনকারী মাইক্রো মার্চেন্টদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং এক কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি জমা দিতে হবে।
শ্রেণি ২
অন্যদিকে, মাসিক ১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেনকারী রেগুলার মার্চেন্টদের জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, ই-টিন সনদ এবং সর্বশেষ করবর্ষের টিন রিটার্ন জমার স্লিপ জমা দিতে হবে।




