ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeখেলাবিতর্ক যতই থাক, ফিফার পরিকল্পনায় বাংলাদেশ পেতে পারে ৮ কোটি ৬০ লাখ...

বিতর্ক যতই থাক, ফিফার পরিকল্পনায় বাংলাদেশ পেতে পারে ৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার!

নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা। সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাব ঘিরে বিশ্ব ফুটবলে তীব্র বিতর্ক তৈরি হলেও, এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ফুটবল ফেডারেশনগুলো উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পেতে পারে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ নামে একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান গঠন করবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এই প্রতিষ্ঠানের আওতায় বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ, টিকিট বিক্রি, লাইসেন্সিংসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ফিফার পরিকল্পনা হলো, নতুন প্রতিষ্ঠানের একটি ক্ষুদ্র অংশ বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা। এর সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ বিলিয়ন ডলার। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রায় ৪.২ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।

ফিফার ভাষ্য, এ অর্থ ‘ফিফা ফাস্ট-ফরোয়ার্ড’ কর্মসূচিতে ব্যয় করা হবে। এর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ফুটবলের অবকাঠামো ও উন্নয়ন খাতে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে ফিফা স্পষ্ট করেছে, বাণিজ্যিক অংশীদার যুক্ত হলেও প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি তাদের কাছেই থাকবে। প্রতিযোগিতা পরিচালনা, ম্যাচ সূচি, নীতিনির্ধারণ ও ফুটবল-সংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ফিফার হাতেই থাকবে। তবে পরিকল্পনাটি কার্যকর করতে ২১১টি সদস্য দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন হবে।

বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য লাভ
বর্তমান ‘ফিফা ফরোয়ার্ড’ কর্মসূচি অনুযায়ী, ২০২৭ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি সদস্য ফেডারেশন ৮ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার কথা।

কিন্তু নতুন পরিকল্পনা অনুমোদিত হলে সদস্য দেশগুলো শুরুতেই ঐচ্ছিক সুবিধা হিসেবে ২০ মিলিয়ন ডলার পেতে পারে। এরপর ২০২৭-৩০ মেয়াদে আরও ২০ মিলিয়ন ডলার, ২০৩১-৩৪ মেয়াদে ২২ মিলিয়ন ডলার এবং ২০৩৫-৩৮ মেয়াদে ২৪ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।

সব মিলিয়ে একটি সদস্য ফেডারেশন সর্বোচ্চ ৮৬ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার অর্থায়নের সুযোগ পেতে পারে। ফিফার অনুদাননির্ভর উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনাকারী দেশগুলোর জন্য এই অর্থ ফুটবল অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ, বয়সভিত্তিক দল এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।-

নিজেদের পরিকল্পনার সম্ভাব্য ইতিবাচক দিক তুলে ধরতে ফিফা কেপ ভার্দে ও কুরাসাওয়ের উদাহরণ দিয়েছে। সংস্থাটির দাবি, ‘ফিফা ফরোয়ার্ড’ কর্মসূচির অর্থায়ন এসব দেশের ফুটবল উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সক্ষমতা বাড়িয়েছে।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular