ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসর্বশেষময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনা আক্রান্ত ২ রোগী আইসিইউতে, কীট সংগ্রহ শিগগিরই

ময়মনসিংহ মেডিকেলে করোনা আক্রান্ত ২ রোগী আইসিইউতে, কীট সংগ্রহ শিগগিরই

ময়মনসিংহ ব্যুরো : করোনা উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে ২ রোগী আইসিইউতে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে প্রাথমিভাবে এন্টিজেন টেস্টে তাদের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে আরটি-পিসিয়ার টেস্টের জন্য কীট ও রিএজেন্ট না থাকায় চূড়ান্তভাবে করোনা শনাক্তকরণ সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এই অবস্থায় করোনা সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কায় হাসপাতালটিতে সেবা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডাঃ মতিউর রহমান জানান, কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর ডাঃ মোঃ
নাজমুল আলম খানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় দুই-একদিনের মধ্যেই রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন-পলিমারেজ চেইন রি–অ্যাকশন (আরটি-পিসিআর) টেস্টের কিট সংগ্রহ করে আনা হবে এবং কীট প্রাপ্তির পর আরটি-পিসিয়ার টেস্ট কার্যক্রম পুরো দমে শুরু হবে। সেই সাথে স্যাম্পল সংগ্রহ শুরু হবে।

উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ডাঃ মতিউর রহমান আরো জানান করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের টেস্টের জন্য আরটি-পিসিয়ার টেস্ট করার জন্য ল্যাব পুরোপুরি প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক)
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. জাকিউল ইসলাম জানান, করোনার দ্বিতীয় বা তৃতীয় ঢেউয়ের মতো পরিস্থিতির জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে কোভিড ওয়ার্ড। ইতোমধ্যে স্টাফদের দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় ব্রিফিং। প্রশাসনিক পর্যায়ে বৈঠক হয়েছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আমাদের যে নির্দেশনা দিবেন, আমরা সে মোতাবেক সব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করব।

সূত্র জানায়, বর্তমানে হাসপাতালের আইসিইউতে ২ জন করোনা শনাক্ত রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে রিএজেন্ট কীট সঙ্কটে হাসপাতালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা মাধ্যম আরটি-পিসিআর বর্তমানে অচলাবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থায় শুধু র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের উপর নির্ভর করেই করোনা শনাক্ত করা হচ্ছে।

মমেকের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাজিয়া হক জানান, পিসিআর মেশিন সচল রয়েছে এবং অন্যান্য রোগের ল্যাব টেস্টের জন্য নিয়মিতই ব্যবহার হচ্ছে। কিন্তু কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট রিএজেন্ট কিট নেই, যা বাংলাদেশে শুধু হাতে গোনা ২টি কোম্পানির কাছেই সীমিত পরিমাণে রয়েছে। আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে কীট সরবরাহের জন্য অনুরোধ করেছি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বলেন, আমাদের কাছে বর্তমানে যে পরিমাণ র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কীট রয়েছে তাতে মাত্র ৩০০ জনের পরীক্ষা করা সম্ভব। আরটিপিসিআর ছাড়া কোভিডের শতভাগ নির্ভরযোগ্য শনাক্তকরণ সম্ভব নয়।

এবিষয়ে মমেকের সচিব মো. রফিকুল ইসলাম জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে কীট সরবরাহের জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে তাদের মজুদেও রিএজেন্ট নেই। এখন স্থানীয়ভাবে কীট সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular