যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ (JWG) গঠন: ২২ জুন ২০২৬ তারিখে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ (JWG) গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
মূল দায়িত্ব: এই ওয়ার্কিং গ্রুপটিই পুরোনো সমঝোতা স্মারক (MoU) পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে একটি নতুন, যুগোপযোগী এবং নিরাপদ চুক্তিপত্র বা MoU-এর খসড়া তৈরি করবে।
মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর ঢাকা সফর: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী জুলাই ২০২৬-এ মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী ঢাকা সফরে আসছেন। এই সফরেই নতুন নিয়োগ পদ্ধতির খসড়া ও সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত রূপ পেতে পারে।
এ বছর সাধারণ কর্মীদের জন্য গণহারে বাজার উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম, তবে বছরের শেষের দিকে সীমিত আকারে বা নতুন নিয়মে খোলার একটি সম্ভাবনা রয়েছে।
কেন এ বছর গণহারে খোলার সম্ভাবনা কম?
নতুন MoU চুক্তি: জুলাই ২০২৬-এ মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী ঢাকা সফরে আসার পর নতুন সমঝোতা স্মারক (MoU) চূড়ান্ত হবে। চুক্তি সই হতেই আরও কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে।
সিস্টেম বা পোর্টাল তৈরি: নতুন চুক্তির পর মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটমুক্ত সম্পূর্ণ নতুন একটি অনলাইন নিয়োগ ব্যবস্থা বা ডিজিটাল পোর্টাল তৈরি করতে হবে, যা বেশ সময়সাপেক্ষ।
আটকে পড়া কর্মীদের অগ্রাধিকার: বর্তমানে বন্ধের কারণে আটকে পড়া প্রায় ১৭ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। নতুন কর্মী নেওয়ার আগে এই কোটা পূরণ করা মালয়েশিয়া সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার।
দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে (২২ জুন ২০২৬) বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত জোরালো আলোচনা হয়েছে। ফলে নতুন কোনো জটিলতা না হলে ২০২৬ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৭ সালের শুরুতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও কম খরচে নতুন পদ্ধতিতে কর্মী নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।




