ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশমৌলভীবাজারে ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছে পর্যটকরা

মৌলভীবাজারে ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছে পর্যটকরা

মনজু বিজয় চৌধুরী,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: শীত মৌসুম ও নতুন বছরের প্রথম দিনে পর্যটন জেলা মৌলভীবাজারে ঢল নেমেছে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পদচারনায় মূখরিত । হাওর বাহর, নদী নালা সীমান্ত বর্তী জেলা চায়ের রাজধানী খ্যাত বিচিত্র সব গাছগাছালি আর বন্যপ্রাণীর আনাগোনা দেখতে ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতেই কার না ইচ্ছে করে। মৌলভীবাজারের অর্ধশতাধিক পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ঘটাতে সঠিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দেশের অর্থনৈতির উন্নয়নে সরকারের বিশাল অংকের রাজস্ব আয়ে বলিষ্ট ভুমিকা রাখবে এমনটাই আশা।

জানা যায়, প্রাকৃতিক সুন্দর্যের নীলাভুমি দেশ বিদেশ খেকে আসা পর্যটকদের আগমনে মৌলভীবাজার পর্যটন শিল্পে ব্যবসা বানিজ্য। মৌলভীবাজার জেলায় রয়েছে ৯২টি চা বাগানসহ,বাইক্কা বিল,লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান,মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত, মাধবপুর লেক, চা জাদুঘর,বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন,হাকালুকি হাওর,হামহাম জলপ্রপাত,হাইল হাওর, চা-কন্যা ভাস্কর্য, বধ্যভূমি ৭১,ভাড়াউড়া লেক,জাগছড়া লেক,ব্রিটিশদের সমাধিস্থল ডিনস্টন সিমেট্রি, হরিণছড়া গলফ মাঠ,নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী পল্লি, সুপ্রাচীন নির্মাই শিববাড়ি,খাসিয়া পুঞ্জি,মণিপুরি ও ত্রিপুরাদের গ্রাম,শংকর টিলা লেক,ফুলছড়া গারো লাইনের লেক,তীর্থস্থান,ঝাউবন, বিদ্যাবিল হজম টিলা,নাহারপুঞ্জিতে শতবর্ষ গিরিখাত,বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ,কমলা রানীর দিঘি,কাউয়াদিঘি হাওর,খোজার মসজিদ, বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক,কমলা ও আঙ্গুরের বাগান,গগনটিলা,কালাপাহাড় ও মূরইছড়া ইকোপার্কসহ বিভিন্ন পর্যটন স্পটগুলোতে হাজার হাজার পর্যটকের পদভারে মুখরিত। সরকারের সম্বাবনাময় খাতে বিনোগ না হওয়াায় পর্যটকরা হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকে।

আগত পর্যটকরা বলেন- মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলে বেড়াতে এসে প্রতিনিয়ত ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন। প্রায় প্রতিদিনই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এলাকায় ঘুরতে গেলে, তাদের সন্ধ্যা নামার আগেই শহরে ফিরতে হয়। দেশে এতো সুন্দর ও অপরুপ দৃশ্যাবলী থাকা সত্বে সেটিকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে সরকারের বিশাল রাজস্ব আয়ে পরিকল্পনার প্রতি দৃষ্টি নেই। সরকার এসব স্থান গুলোর প্রতি সুষ্টু পরিকল্পনার দাবী ও জানান।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সদস্য বলেন, চুরি-ছিনতাই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিদিনই পর্যটকরা এ সংক্রান্ত অভিযোগ আমাদের দেন। আমরা সদর থানায় যাওয়ার পরামর্শ দিই। কেউ যায়, কেউ যায় না।’
পর্যটকরা জানান পর্যটন মৌসুম শীতকাল অন্যদিকে নতুন বছরের প্রথম দিনেই দেশী-বিদেশি পর্যটকদের ঢল নেমেছে। সেই সাথে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পর্যটকদের আগমনে আশার প্রদীপ জ্বলেছে। শিকার হন ছিনতাইকারীদের।

বছরের প্রথম দিনে উন্মুক্তভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসছি। অপরুপ দৃশ্যবলী দেখে খুব আনন্দ লাগছে। সরকারের বিশাল সম্ভাবনাময় খাতের সঠিক পরিকল্পনার অভাবে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। দেশীয় পর্যটন বিকাশের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে গুরুত্বারোপ করতে হবে।
মৌলভীবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশ উপ পুলিশ পরিদর্শক প্রদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন পর্যকদের নিরাপত্তা দিতে প্রত্যেকটা স্পটেই আমাদের লোক নিয়োজিত আছে।

এছাড়া মোবাইল টিমসহ বিভিন্ন স্পটে স্পটে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে আমি নিজেও মাঠে কাজ করছি। পর্যটকদের হয়রানি কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলার প্রতিটি পর্যটন স্পটে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular