লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় অনুমোদনহীন ও অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ এবং নতুন করে অবৈধ ইটভাটা স্থাপন বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৫ সেপ্টেম্বর এ রুল জারি করেন। সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জামিলা মমতাজসহ অন্যান্য আইন কর্মকর্তা।
রিটটি করেন রামগতি উপজেলার চরলক্ষ্মী গ্রামের বাসিন্দা মো. আশরাফুল আলম হান্নান। সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে করা আবেদনে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার সব অননুমোদিত ও অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
আবেদনে বলা হয়, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন-সংক্রান্ত আইন ও বিধান লঙ্ঘন করে যাতে নতুন কোনো ইটভাটা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হোক।
রিটে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সচিব, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ১৫ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক, লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী, রামগতি ও কমলনগরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট দুই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও বিবাদী করা হয়েছে।




