অংশগ্রহণকারী দেশ, ফুটবল অনুরাগী এবং সম্প্রচার সহযোগীদের জন্য বিশ্বকাপ দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে যেতে এক অভিনব প্রযুক্তি যুক্ত করেছে ফিফা।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচগুলো মাঠে গড়ানোর পর থেকেই সেটি দর্শকদের নজরে এসেছে। ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারিরা মাথায় বিশেষ এক ধরণের হেডগিয়ার পরে দায়িত্ব পালন করছেন।
খুব কাছ থেকে লক্ষ্য করলে বোঝা যায়, রেফারিদের মাথার এই সরঞ্জামটি মূলত একটি ছোট হাই-ডেফিনিশন (এইচডি) ক্যামেরা। এর মাধ্যমে মাঠের সমস্ত ফুটবলীয় অ্যাকশন রেফারিদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি (পয়েন্ট অব ভিউ) থেকে রেকর্ড করা হচ্ছে।
চলতি টুর্নামেন্টের মোট ১০৪টি ম্যাচের সবকটিতেই এই ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। রেকর্ড করার পাশাপাশি এই ধারণকৃত দৃশ্য সরাসরি ম্যাচ সম্প্রচারেরও ব্যবহার করা হচ্ছে। ২০২৩ ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে প্রথম এই প্রযুক্তি পরীক্ষামূলকভাবে দেখা গিয়েছিল। পরবর্তীতে বিশ্বের বিভিন্ন ঘরোয়া লিগেও এর সফল পরীক্ষা চালানো হয়।
একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি তৈরি করেছে, যা রেফারির দ্রুত দৌড়াদৌড়ি বা নড়াচড়ার কারণে ক্যামেরার ফুটেজে তৈরি হওয়া অস্পষ্টতা (মোশন ব্লার) দূর করে। এর ফলে ম্যাচের স্বচ্ছতা, রেফারিদের সিদ্ধান্ত বোঝার ক্ষমতা এবং দর্শকদের ম্যাচ উপভোগের রোমাঞ্চ বেড়ে গেছে বহুগুণ।




