ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅর্থনীতিরোড এন্ড বেল্ট ইনিশিয়েটিভ এক্সিবিশনে যৌথ সক্ষমতা তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে

রোড এন্ড বেল্ট ইনিশিয়েটিভ এক্সিবিশনে যৌথ সক্ষমতা তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক: রোড এন্ড বেল্ট ইনিশিয়েটিভ এক্সিবিশনের মধ্যে দিয়ে চীন ও বাংলাদেশের যৌথ সক্ষমতা তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যের উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন।তিনি বলেন, আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও আইডিয়া শেয়ার করার প্লাটফর্ম এ এক্সিবিশন। এর মাধ্যমে ট্রেড ও ইনভেস্টমেন্ট এর সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ ইন বাংলাদেশ এক্সিবিশনে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ ৩০০ শতাংশ বেড়েছে। আমাদের দুর্বলতা খুঁজে বের করতে হবে। অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। উৎপাদন ও প্যাকেজিংয়ে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারলে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

চীন ও জাপানের তুলনায় বাংলাদেশের অগ্রগতি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, তৈরি পোশাকসহ অনেক ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোষাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ ,কিন্তু সামগ্রিকভাবে আমরা পিছিয়ে রয়েছি।

সড়ক অবকাঠামো ও পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে সহযোগিতা চেয়েছেন উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বছরে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় যে পরিমান মানুষ মারা সেটি ভয়াবহ। এক্ষেত্রে সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। আমাদের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী চীনের কাছে এ ব্যাপারে সহযোগিতা কামনা করেছি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রেসিপ্রোকল ট্যারিফ নিয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন , আগামী রোববার ট্যারিফ ইস্যুতে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসছে। প্রতিনিধি দলটির সঙ্গে ট্যারিফের কাঠামোগত রূপ কিভাবে দেয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা হবে।

চীনা দূতাবাস আয়োজিত ‘বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ ইন বাংলাদেশ এক্সিবিশনে বাংলাদেশের ৮টি ও চীনের ৩২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে বিভিন্ন খাতের দেশি ও বিদেশি কোম্পানি, বিনিয়োগকারী, সরকারি কর্মকর্তা, এবং প্রযুক্তিবিদরা অংশগ্রহণ করবেন।

প্রদর্শনীতে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, টেলিকম, স্বাস্থ্য, কৃষি, শক্তি, পরিবহন ও লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে কাজ করা প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের পণ্য ও সেবা উপস্থাপন করছে।প্রদর্শনীটি সকল দর্শকের জন্য ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে।

ঢাকা নিউজ/এস 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular