নাজমুল হোসেন, বিশেষ সংবাদদাতা : লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জে স্যান্ড-সিমেন্ট জিওব্যাগ পদ্ধতিতে তীর সংরক্ষণ করা হলে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর এলাকার মানুষ নদী ও খালভাঙন থেকে সুরক্ষা পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের পিয়ারাপুর শহীদ মাজহারুল মুনির উচ্চবিদ্যালয়ে তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সাসটেইনেবল রিকভারি ইমার্জেন্সি প্রিপারেশনস অ্যান্ড রেসপন্স প্রজেক্টের আওতায় এ কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে এ্যানি বলেন, রহমতখালী ও ওয়াবদা খালের পানির চাপ এবং তীরভাঙনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বর্ষা ও বন্যার সময় জলাবদ্ধতার কারণে অনেক বাড়িঘর ও উঠানে পানি জমে যায়। এ সমস্যা সমাধানে স্যান্ড-সিমেন্ট জিওব্যাগ পদ্ধতিতে তীর সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, বালু ও সিমেন্ট দিয়ে তৈরি জিওব্যাগ খালের পাড়ে নিচ থেকে ওপর পর্যন্ত স্থাপন করা হবে। পানির চাপ মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখবে। এর ফলে আগামী ২০ থেকে ৩০ বছর এলাকার মানুষ ভাঙন থেকে সুরক্ষা পাবেন বলে তিনি আশা করেন।
এ্যানি আরও বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার পর মান্দারী ও দিঘলী থেকে মজুচৌধুরীর হাট পর্যন্ত প্রয়োজনীয় এলাকায় ব্লক দিয়ে স্থায়ী তীর সংরক্ষণের জন্য ৩০০ কোটি টাকার একটি নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।
কাজের মানের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘আমার এলাকায় কাজ হবে, আর আমিই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। এখানে কোনো ধরনের কাজের গুণগত মান খারাপ হবে, এটা আমি মেনে নেব না।’
অনুষ্ঠানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বি-স্ট্রং প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ সামিউল হক, ফেনী সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এবং লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান, বাফুফের সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সাবেরা আনোয়ার, জেলা যুবদলের সভাপতি আবদুল আলিম হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রশিদুল হাসান লিংকন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন কবির স্বপনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।




