ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeখেলাইনফান্তিনোকে সরাতে ফিফায় প্রার্থী হবেন না চেফেরিন

ইনফান্তিনোকে সরাতে ফিফায় প্রার্থী হবেন না চেফেরিন

ক্রীড়া ডেস্ক: ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে সরিয়ে সংস্থাটির শীর্ষ পদে বসার জন্য নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানিয়েছেন উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার চেফেরিন।

তবে ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারীদের কাছে বিশ্বকাপের একটি অংশ বিক্রির ব্যর্থ পরিকল্পনার পর আগামী নির্বাচনে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে কোনো প্রার্থী দাঁড়াতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

 

এক পডকাস্টে কথা বলার সময় চেফেরিন স্পষ্ট করে জানান, ইনফান্তিনোর উত্তরসূরি হওয়ার বিষয়ে তার কোনো আগ্রহ নেই, ‘একটি কারণ হলো, আমি উয়েফাকে ভালোবাসি এবং এখানে কাজ করতে ভালোবাসি। আর আমি মনে করি, একটা নির্দিষ্ট সময়ে এসে জীবনটাকেও একটু উপভোগ করার সময় হয়। দেখা যাক কতদিন পর্যন্ত। আর দ্বিতীয় বিষয় হলো, আমি যদি এই পদের প্রতি আগ্রহী না থাকি, তাহলে আমার বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক, অনেক, অনেক বেশি থাকে।’

ইনফান্তিনোর সঙ্গে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর তার আর কোনো যোগাযোগ হয়নি বলেও জানান উয়েফা প্রধান। পাশাপাশি আগামী মার্চে আবার নির্বাচনে দাঁড়ালে ইনফান্তিনোকে সম্ভবত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চেফেরিন বলেন, ‘দুটি সম্ভাবনা আছে। একটি হলো, তিনি বুঝতে পারেন যে তার সমর্থন নেই। আর সেটা শুধু যারা ভোট দেন, তাদের রাজনৈতিক সমর্থনের বিষয় নয়; ফুটবল সম্প্রদায়ের সমর্থন, ভক্তদের সমর্থন, খেলোয়াড়দের সমর্থন, সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের সমর্থনের বিষয়ও।’

‘আর দ্বিতীয় সম্ভাবনা হলো, তিনি মার্চের নির্বাচনে যান। কিন্তু সেক্ষেত্রে আমার মনে হয়, তার বিরুদ্ধে একজন প্রার্থী থাকবেন। যদিও এখনো জানি না সেই প্রার্থী কে।’

২০২১ সালে উয়েফা যে ইউরোপিয়ান সুপার লিগের বিরুদ্ধে সফলভাবে লড়াই করেছিল, তার তুলনায় ব্যর্থ ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ পরিকল্পনাকে ফুটবলের জন্য আরও বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছেন চেফেরিন।

তিনি বলেন, ‘শুরুতে যখন এই পরিকল্পনার সঙ্গে সুপার লিগের পরিকল্পনার তুলনা করা হয়েছিল, তখন আমি মনে করি, এই পরিকল্পনা সুপার লিগের পরিকল্পনার চেয়েও খারাপ। ফুটবলকে আক্ষরিক অর্থেই বিক্রি করে দেওয়া হতো।’

আইনজীবী থেকে ক্রীড়া প্রশাসক হওয়া চেফেরিন পরিকল্পনাটি সম্পর্কে জানার পর ইউরোপীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ইউরোপের দেশগুলো অন্য দেশগুলোর উন্নয়নের পথে বাধা দিচ্ছে- এমন ধারণাও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular