নিজের ব্যক্তিত্ব, রুচি ও জীবনযাপনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সুন্দর ঘর সাজানোর স্বপ্ন সবারই থাকে। তবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেয়াল রং করা, পুরোনো আসবাব পরিবর্তন, ইন্টেরিয়র ডিজাইনসহ বিভিন্ন সেবার জন্য আলাদা জায়গায় যোগাযোগ করতে হয়।
এতে পুরো প্রক্রিয়াটি অনেক সময় জটিল ও সময়সাপেক্ষ হয়ে ওঠে। ভোক্তাদের এই অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ, সুবিধাজনক ও নির্বিঘ্ন করতে কমপ্লিট ইন্টেরিয়র সলিউশন নিয়ে আসছে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড।
বার্জার এক্সপেরিয়েন্স জোন ও বার্জার ডিজাইন স্টুডিওর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার অভিজ্ঞতা ও সেবাকে প্রচলিত টাচপয়েন্টের বাইরেও নিয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকরা যেখানে বসবাস করেন, কেনাকাটা করেন কিংবা সময় কাটান, সেখানেই পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বার্জারের বিস্তৃত কমপ্লিট ইন্টেরিয়র সলিউশন। এর লক্ষ্য হলো অনুপ্রেরণা থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত পুরো যাত্রাকে সহজ করা এবং প্রয়োজনীয় সমাধান খুঁজতে গ্রাহকদের অতিরিক্ত ঝামেলা থেকে মুক্তি দেওয়া।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ২০ আগস্ট থেকে তিন দিন বিজয় রাকিন সিটিতে উপস্থিত থাকবে বার্জার। সেখানে বাসিন্দারা নিজেদের কমিউনিটির মধ্যেই পাবেন সহজ ও ঝামেলামুক্ত পেইন্টিং সলিউশন, সুবিধাজনক পেমেন্ট অপশন এবং ওয়ান-স্টপ ইন্টেরিয়র সলিউশন। পাশাপাশি থাকবে বিভিন্ন ডেমোনস্ট্রেশন ও লাইভ ডেমোনস্ট্রেশনের সুযোগ। ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি এ সময় বাসিন্দারা পাবেন বিশেষ আকর্ষণীয় ছাড়।
বার্জারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি দেশের বিভিন্ন কমিউনিটিতে সেবা আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়ার একটি বৃহত্তর উদ্যোগের সূচনা। ভবিষ্যতেও দেশের অন্যান্য কমিউনিটিতে পৌঁছে গিয়ে ভোক্তাদের জন্য কমপ্লিট হোম ইমপ্রুভমেন্ট সলিউশন আরও সহজলভ্য করার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
শুধু কমিউনিটি পর্যায়েই নয়, আগামী ২১ আগস্ট থেকে নির্দিষ্ট মডার্ন ট্রেড আউটলেটেও পাওয়া যাবে বার্জারের ইন্টেরিয়র সলিউশন। ফলে নিয়মিত কেনাকাটার সময়ই ভোক্তারা এসব সেবা সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রহণ করতে পারবেন। ঘর নতুন করে রং করা, পুরোনো আসবাবকে নতুন রূপ দেওয়া কিংবা সম্পূর্ণ ইন্টেরিয়র সলিউশন নেওয়া-প্রতিটি প্রয়োজনের সমাধানই এখন আরও সহজে ভোক্তাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠবে।
বার্জারের কাছে কমপ্লিট ইন্টেরিয়র সলিউশন আরও সহজলভ্য করে তোলার অর্থ শুধু সেবা গ্রাহকের কাছাকাছি নিয়ে আসা নয়, বরং গ্রাহকের মনে যখন একটি সুন্দর ঘরের ভাবনা তৈরি হয়, ঠিক তখনই তার পাশে দাঁড়ানো এবং সেই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথ সহজ করে দেওয়া। ভোক্তারা যেখানে থাকেন, কেনাকাটা করেন কিংবা সময় কাটান, সেখানেই পৌঁছে দিয়ে বার্জার তৈরি করছে অনুপ্রেরণা থেকে সঠিক সমাধান পর্যন্ত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় একটি যাত্রা।
যে ঘরকে নিজের মতো করে ভালোবাসতে চান, সেই স্বপ্ন যেন কখনোই নাগালের বাইরে না থাকে-এই লক্ষ্যেই ভোক্তাদের আরও কাছে বার্জার। ভাবনার শুরু থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত একটি সুন্দর ঘরকে সত্যিকার অর্থে নিজের করে তোলার যাত্রায় পাশে থাকার প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।




