ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসর্বশেষচবি শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন

চবি শিক্ষার্থীদের আমরণ অনশন

চবি প্রতিনিধি: সেশন জট নিরসন ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশের দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ১২ জন শিক্ষার্থী।

শনিবার ( ২৪ মে) দুপুর ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসেন শিক্ষার্থীরা।

অনশনরত শিক্ষার্থীরা হলেন – ২০২০-২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু রাজিন মন্ডল, একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তারেক মাহমুদ, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী স্বাধীন বসু মিয়া, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিফতাহ জাহান মীম, একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী পাবত্রী রানী ও শ্রুতি রাজ চৌধুরী , ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাফসা কাউসার মিশু, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জাভেদ এবং বখতিয়ারুল ইসলাম, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাইমিন আনাম, একই বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ক্যাএসিং মারমা।

অনশনে শিক্ষার্থীরা দুইটি দাবি পেশ করেন। তাদের দাবি হচ্ছে – সেশজট নিরসন ও সর্বোচ্চ ৪ মাসের ভেতরে ক্লাস ও পরিক্ষা শেষ করার মাধ্যমে সেমিস্টার শেষ করা। কমপক্ষে আগামী ১২ মাস বা ৩ সেমিস্টারের একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ এর মাধ্যমে ক্লাস শুরু, ফর্ম ফিলআপ, পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা ও ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করার প্রতিশ্রুতি লিখিত আকারে প্রদান করতে হবে।

অনশনে ফিজিক্যাল এডুকেশন এন্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন বলেন, ‘ আমাদের সমস্যা নিরসনের জন্য আমরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছি। বিগত প্রশাসন শুধু আশ্বাসই দিয়েছে। কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি। এখন আমাদের দেয়ালে পিট ঠেকে গেছে। এজন্যই অনশনে বসতে বাধ্য হয়েছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা অনশন থেকে পিছপা হব না। ‘

এ সময় একই বিভাগের ২০২২-২৩ ব্যাচের অনশনকারী শিক্ষার্থী বলেন, ‘ আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরেই সিনিয়রদের দুই তিনটা আন্দোলন দেখেছি। বিগত প্রশাসনের আমলেও আন্দোলন করতে হয়েছিল, এখনও করতে হচ্ছে। সেশন জট দূর করার ব্যপারে এই প্রশাসনের সাথে দুই তিনবার কথা হয়েছে। কিন্তু এখনও তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেয়নি। অথচ অনেক সিনিয়রদের চাকরির বয়স চলে যাচ্ছে। কারও পরিবারের সমস্যা। এগুলো কে দেখবে? আমরা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চাই। ‘

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular