ঢাকা  মঙ্গলবার, ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআইন ও আদালতপঞ্চদশ সংশোধনী রায় বৃহস্পতিবার

পঞ্চদশ সংশোধনী রায় বৃহস্পতিবার

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের সংবিধানের বহুল আলোচিত পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে দায়ের করা আপিলের রায় ঘোষণার জন্য আগামী বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

বিষয়টি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কাঠামো, নির্বাচনব্যবস্থা এবং সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন আইনজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহল।

বুধবার (৮ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ তারিখ নির্ধারণ করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত জানান, নির্ধারিত দিনে এ মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

মামলাটি সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা এবং এ-সংক্রান্ত উচ্চ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলের ওপর শুনানিকে কেন্দ্র করে। গত কয়েকদিন ধরে রাষ্ট্রপক্ষ, সংশ্লিষ্ট পক্ষ এবং আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন।

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী হিসেবে বিবেচিত। এর মাধ্যমে সংবিধানের একাধিক অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনা হয় এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন মৌলিক বিষয়ে নতুন বিধান সংযোজিত হয়। সংশোধনীটি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই এর বিভিন্ন দিক নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনগত বিতর্ক চলমান রয়েছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আপিল বিভাগের এই রায় কেবল একটি আইনি বিরোধ নিষ্পত্তি করবে না; বরং দেশের সাংবিধানিক ব্যাখ্যা, বিচারিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং ভবিষ্যৎ সাংবিধানিক চর্চার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিতে পারে। ফলে রাজনৈতিক দল, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ এবং সচেতন নাগরিকদের দৃষ্টি এখন আপিল বিভাগের রায়ের দিকে।

আদালতে শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষ তাদের নিজ নিজ অবস্থানের পক্ষে সাংবিধানিক ব্যাখ্যা, পূর্ববর্তী রায় এবং আইনগত যুক্তি তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আপিল বিভাগ রায়ের জন্য বিষয়টি অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখে পরে বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন।

আদালত সূত্র জানায়, রায় ঘোষণার পর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী-সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের আইনি বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ের নিষ্পত্তি হবে। একই সঙ্গে রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের পর এর আইনগত প্রভাব ও বাস্তবায়নযোগ্য বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হবে।

সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা বলছেন, দেশের সংবিধান ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমের ওপর এ রায়ের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে। তাই দেশের আইনাঙ্গনসহ রাজনৈতিক মহলে রায়কে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

এদিকে আদালতপ্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং রায় ঘোষণার দিন সংশ্লিষ্ট পক্ষের আইনজীবী, গণমাধ্যমকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের উপস্থিতি বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular