নিউজ ডেস্ক: পহেলা বৈশাখের মধ্যেই সীমিত পরিসরে কৃষক কার্ড চালুর আশা জানালেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ। প্রথম ধাপে আট থেকে নয়টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এ কর্মসূচি শুরু হবে।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং সময়সীমা হিসেবে পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখেই প্রস্তুতি এগোচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে তখনই কার্যক্রম শুরু করা যাবে বলে তিনি আশা করছেন।
সারাদেশে একযোগে নয়, আপাতত পাইলট আকারেই কর্মসূচি চালু হচ্ছে। নির্বাচিত কয়েকটি উপজেলায় প্রথমে কার্ড বিতরণ ও ব্যবস্থাপনা পরীক্ষা করে দেখা হবে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
একটি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা কী সুবিধা পাবেন—এ প্রশ্নে মন্ত্রী জানান, প্রান্তিক ও অতি ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য কিছু সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা ফ্যামিলি কার্ডের আদলে হতে পারে।
তবে উদ্যোগটির বড় লক্ষ্য কেবল ভাতা দেওয়া নয়। উৎপাদন, কৃষিজমি, ফসলের ধরন, বাজার ও ভোক্তার তথ্য—এসবকে একটি সুসংহত ব্যবস্থায় আনা এবং সরকারের কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্যভান্ডার তৈরি করাই মূল উদ্দেশ্য-মন্ত্রী জানান।
বিনামূল্যে সার ও বীজ দেওয়ার প্রসঙ্গও ওঠে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, একেবারে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য এমন ভাবনা আগে আলোচনা হয়েছিল, তবে সাম্প্রতিক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি।
পাইলট প্রকল্পে কাদের কৃষক হিসেবে ধরা হবে—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন, যারা সরাসরি কৃষি উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত, তারাই এ কর্মসূচির আওতায় বিবেচিত হবেন।




