নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১৫তম আন্তর্জাতিক পাওয়ার, এনার্জি ও ইনফ্রাস্ট্রাকচার এক্সপো-২০২৬ শেষ হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) মেলার তৃতীয় ও শেষ দিনে রান পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ম্যানেজার অনিক মাহমুদ বলেন, ‘অন্য বছরের তুলনায় এবারের এক্সপোতে ব্যাপকভাবে সাড়া পাওয়া গেছে। মানুষ নতুন কিছু চায়। সরকার দায়িত্ব নিয়েই সৌরবিদ্যুতে ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছে। নীতি সহায়তা কার্যকর করতে যাচ্ছে।’
তিনি সৌরবিদ্যুতের ব্যাপক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্য উদ্যোক্তারা জানান, তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। সারা দেশ থেকে উদ্যোক্তারা এসে বিভিন্ন পণ্যের খোঁজ নিয়েছেন ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এবারের এক্সপোতে চীনসহ ১২টি দেশের ১৪০টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। গত বৃহস্পতিবার মেলা উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক মোস্তফা কামালসহ অন্যরা।
সোলারিক বাংলাদেশের উপমহাব্যবস্থাপক মেহেদী আল-মামুন বলেন, ‘এবারের প্রদর্শনীতে ভালোই সাড়া পাওয়া যায়। তিন দিনে অনেক দর্শনার্থীর উপস্থিতি দেখা গেছে। আশা করি সোলারে ব্যাপকভাবে পরিবর্তন আসবে। তা আসা দরকার। সৌরবিদ্যুতে এই সরকার আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়েছে। অনেক উদ্যোগ নিয়েছে ‘
তিনি আরও বলেন, ’সরকারের সব স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। বাসাবাড়িতেও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। এটি ইতিবাচক। বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার সময় শিল্প খাতে ২০ শতাংশ ও বাসাবাড়িতে ১০ শতাংশ সোলারের ব্যবস্থা থাকতে হবে।’
তিনি জানান, ’বিদ্যুৎ খাতে সরকার প্রচুর ভর্তুকি দেয়। প্রথাগত খাতের বাইরে সোলার উৎপাদন খরচ কম। উৎপাদন মূল্য বাড়েনি। এটি পরিবেশবান্ধব। সৌরবিদ্যুতের অপচয় হওয়ার সুযোগ নেই। নিজে শতভাগ ব্যবহার না করে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা যাবে।’
ট্রপিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিচালক মো. ফেরদৌস বলেন, ‘আমরা সৌরবিদ্যুতের ব্যবসা করি। মেলায় এসেছি। সব কিছু দেখছি। কাঙ্ক্ষিত পণ্য সম্পর্কে জানতে পারছি ‘
তিনি বলেন, ‘এবারের মেলা সফল। আমার মতো অনেক দর্শনার্থী মেলায় এসেছেন। সরকারের নেওয়া উদ্যোগে সৌরবিদ্যুতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।’
বিআরবি গ্রুপের ম্যানেজার আরিফুল উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের কেবলসহ অনেক কিছু মেলায় আনা হয়েছে। তিন দিনের মেলায় দর্শনার্থীরা আসেন। কেবল, স্যানিটারি ফিটিংসহ অনেক কিছু দেখেন। ভালোই সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।’




