ক্রীড়া ডেস্ক: গত দুই মাসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই ব্যস্ত থাকার কথা ছিল বাংলাদেশ দলের। কিন্তু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করায় ক্রিকেটারদের ব্যস্ততা কেটেছে ঘরোয়া ক্রিকেটে। যাইহোক, বিরতি দিয়ে ফের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরছে টিম টাইগার্স।
আগামীকাল (১১ মার্চ) পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। খেলা হবে মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। একই ভেন্যুতে পরের দুই ওয়ানডে হবে যথাক্রমে ১৩ ও ১৫ মার্চ।
বাংলাদেশ-পাকিস্তান ওয়ানডে সিরিজের ট্রফি উম্মোচন হয়েছে আজ। এই আনুষ্ঠানিকতায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ এবং পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি।
পাকিস্তান সিরিজ থেকেই বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে বাংলাদেশ। ২০২৭ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজন দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়া। এই আসরে সরাসরি খেলতে হলে বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে থাকতে হবে র্যাঙ্কিংয়ের ৮ নাম্বারে, যেখানে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান ১০ নাম্বারে।
বাংলাদেশে সিরিজ আয়োজন হলেই আলোচনায় চলে আসে উইকেট। কেননা, স্পিন শক্তি কাজে লাগাতে বেশিরভাগ সময় স্পিন-বান্ধব উইকেট প্রস্তুত করা হয় মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
আজ (১০ মার্চ) সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ অধিনায়ক মিরাজ জানান, ব্যাটিং-বান্ধব উইকেট চান তিনি।
উইকেট প্রসঙ্গে মিরাজ বলেন, ‘আমরা অবশ্যই ভালো মানের উইকেটে খেলব। প্রত্যেকটা টিমই কিন্তু হোম অ্যাডভান্টেজ নেয়। এখন আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব ভালো উইকেটে খেলার জন্য যাতে ব্যাটাররা অনেক আত্মবিশ্বাস পায়। বিশ্বকাপে অনেক ভালো উইকেট থাকে এবং আমরা তাই অভ্যাসটা এখন থেকেই শুরু করতে চাচ্ছি।’
বাংলাদেশ অধিনায়ক আরও বলেন, ‘২০২৭ বিশ্বকাপের আগে আমাদের অনেকগুলো ওয়ানডে ম্যাচ আছে। তাই আমরা ম্যাক্সিমাম ম্যাচ যদি আমরা ভালো উইকেটে খেলতে পারি তাহলে আমাদের এখানে একটা ভালো অভিজ্ঞতা হবে। একইসাথে এটা মনেও রাখতে হবে যে আমাদের কিন্তু কোয়ালিফাইও করতে হবে।’
র্যাঙ্কিংয়ে সেরা না থাকলে বাছাইপর্ব খেলতে হবে বাংলাদেশকে- এটা মনে করিয়ে দিয়ে মিরাজ বলেন, ‘আরও যে দলগুলো আছে যারা আমরা যাদের বিপক্ষে হোম কন্ডিশন নিতে পারি অবশ্যই চেষ্টা করব সেরকম কন্ডিশন নেওয়ার জন্য, হোম অ্যাডভান্টেজ নেওয়ার জন্য। একইসঙ্গে মাথায় রাখতে হবে যে বেশিরভাগ ম্যাচ যাতে আমরা ভালো উইকেটে খেলতে পারি।’




