নিউজ ডস্ক: সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌ-পরিবহন এবং রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, তিন ধরনের যাত্রী মেট্রোরেল ও দূরপাল্লার রেলে ২৫ শতাংশ ছাড় সুবিধা পাবেন। তারা হলেন— বয়স্ক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী এবং ছাত্র বা শিক্ষার্থী। তবে, তাদেরকে যথাযথ আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
রেলমন্ত্রী বলেন, যেহেতু ঈদের অল্প দিন বাকি, আমরা ঈদের আগেই চেষ্টা করছি। সম্ভব হওয়ার সম্ভাবনা একটু কম, কিন্তু আগামী কোরবানির ঈদের আগে নিশ্চয়ই এটি নিশ্চিত হবে এবং টিকিটের ২৫ শতাংশ ছাড়ে চলতে পারবেন।
ট্রেনের টিকিটগুলো তো অনলাইনে হয়, অনলাইনে ডিসকাউন্ট টিকিট কীভাবে হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে ওখানে অপশন থাকবে।
মন্ত্রী বলেন, আপনি আইডি কার্ড দেখালে ৬৫ বছরের বেশি বয়স হলেই আপনাকে ২৫ শতাংশ ডিসকাউন্ট করতে হবে। স্টুডেন্ট আইডি কার্ড শো করতে হবে এবং যারা ডিজেবল পিপল আছেন, তাদের ক্ষেত্রেও যেটা হবে, তাদেরও একটি কার্ড আছে। সেটা প্রদর্শন করলেই তারা সেই ডিসকাউন্টের সুবিধা পাবেন।
রেলের প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার উপর বিগত সরকার কাজ করেও আসলে রেলের কোনো উন্নয়ন কাগজে-কলমে ছাড়া দেখাতে পারেনি। আমরা দেখি রেলের ইঞ্জিন কম, রেল চলে না, থেমে যায়।
এইসব বিষয়ে আসলে প্রধানমন্ত্রী কিছু বলেছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী বলেন, সহজ কথা হচ্ছে যে— আমরা রেলের একেবারে সার্বিক উন্নয়ন চাচ্ছি। এখন যে সমস্ত ট্রেন চালু আছে, তার গতি বৃদ্ধি এবং অল্প সময় যাতায়াত কীভাবে করা যায় তার জন্য বিদ্যমান কিছু প্রকল্প আরো বেগ পাবে বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে।
তিনি বলেন, নতুন কিছু প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। যার ফলে রেলের বিদ্যমান যে অবস্থা আপনারা দেখছেন যে— সেবা এবং যে সার্ভিস এখানে আছে, সেটা আরো শক্তিশালী হবে, জনবান্ধব হবে।
রেলমন্ত্রী বলেন, আসন্ন ঈদে যাত্রীদের মানসম্মত যাত্রা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছি ৮৫-৮৬টা লোকোমোটিভ ইউজ করতে পারি কিনা। সেটা যদি আমরা করতে সক্ষম হই, আমার মনে হয় ট্রেনের শিডিউল ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হবে।
তিনি মন্ত্রী বলেন, রাস্তার ওপর যাতে যত্রতত্র অস্থায়ী দোকান তৈরি না হয়, বাজার ঘাটগুলো লেনগুলোকে কাজে লাগানো যায়, দখল যাতে না থাকে অস্থায়ীভাবে যেমন বাজার বসে যায়, ঈদের সময় সেগুলো থাকবে না।
রেলমন্ত্রী বলেন, যানবাহনে ভাড়া কেউ বেশি নেওয়ার কোনো সুযোগই নেই। এটা নিয়ে বাস মালিক সমিতি আছে, লঞ্চ মালিক সমিতি আছে, তাদের সাথে বসেছি। তারা অঙ্গীকার করেছে এবং আমরা তাদেরকে কিন্তু নজরদারিতে রেখেছি এবং যেকোনো মূল্যে আমরা এটা প্রতিষ্ঠিত করব।




