ঢাকা  শুক্রবার, ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeস্বাস্থ্যবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর প্রথম ৫ মিনিট

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর প্রথম ৫ মিনিট

স্বাস্থ্য ডেস্ক: উৎসবের মরসুমে উচ্ছ্বাসের সঙ্গে ব্যস্ততাও যোগ হয়। আর তাই সাধারণ কিছু কাজে অসাবধানতা বা খতিয়ে না দেখার বিপদ তাড়া করতেই পারে। যেমন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া। অন্দরসজ্জা হোক বা বা়ড়িতে নতুন কোনও বৈদ্যুতিন যন্ত্র লাগানো, রোজনামচায় বিদ্যুতের নানা কাজ করতে হয় আমাদেরই। তাই সাবধানতা অবলম্বন না করলে এ সব সময়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

মানবদেহ তড়িতের সুপরিবাহী। তাই বিদ্যুৎপ্রবাহ আছে এমন কোনও খোলা তার বা বোর্ডের সংস্পর্শে এলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন অনেকেই। বিদ্যুতের প্রাবল্যের উপর মানুষের বেঁচে থাকাও নির্ভর করে। খুব কম সময়ে শরীরে অনেকটা বিদ্যুৎ পরিবাহিত হলে সেই মানুষের তৎক্ষণাৎ মৃত্যুও অসম্ভব নয়।

তখন সামনে দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেক সময় প্রায় কিছুই করে উঠতে পারি না আমরা। কারণ, ঠিক কী উপায় অবলম্বন করলে সহজেই এমন পরিস্থিতির সঙ্গে লড়া যায়, তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট ধারণা আমাদের অনেকেরই নেই। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে প্রথম ৫ মিনিট কোন ভুলগুলি একেবারেই করা যাবে না।

বিদ্যুৎপ্রবাহ যখন শরীরের ভিতর দিয়ে যায় তখন তা আমাদের স্নায়ু, পেশি এমনকি হার্টের কার্যকারিতার উপরেও প্রভাব ফেলে। তাই এই পরিস্থিতিকে অবহেলা না করাই ভাল।

১) বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন এমন কোনও ব্যক্তির গায়ে কোনও ভাবেই হাত দেবেন না, এতে আপনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে পারেন। হাত ভেজা থাকলে ফলাফল হতে পারে আরও মারাত্মক।

২) বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন এমন কোনও ব্যক্তিকে সরাতে কোনও ধাতব বস্তু বা ভেজা জিনিস ভুলেও ব্যবহার করবেন না। ধাতব বস্তু আর জল দু’টোই তড়িৎ পরিবাহী। এ ক্ষেত্রে আপনারও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।

 

৩) বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর ব্যক্তি সুস্থ স্বাভাবিক থাকলেও এক বার চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে একটা ইসিজি করানো জরুরি। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে হৃদ্স্পন্দন ওঠানামা করে। প্রথম দিকে সে ভাবে কোনও উপসর্গ দেখা না গেলেও এই অ্যারিদ্‌মিয়ার কারণে যখন-তখন হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই এক বার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া জরুরি।

ঝুঁকি এড়াতে কী করবেন?

১) দ্রুত মেন সুইচ বন্ধ করতে বলুন কাউকে। অনেক সময় এই মেন সুইচ বন্ধ করতে গিয়ে যে সময় নষ্ট হয়, তাতেই প্রাণ চলে যায় বিদ্যুস্পৃষ্ট ব্যক্তির। তাই সময় অপচয় করা চলবে না।

২) কাঠের লাঠি, শুকনো বাঁশ অথবা পুরু প্লাস্টিকের মতো কোনও তড়িৎ অপরিবাহী বস্তু দিয়ে সজোরে আঘাত করে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ব্যক্তিকে সরান। তাতে বিদ্যুতের উৎস থেকে সেই ব্যক্তির ছিটকে যাওয়া সম্ভব হবে।

৩) বিদ্যুস্পৃষ্ট ব্যক্তি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে তাঁর শ্বাস আর হৃদ্‌স্পন্দন ঠিকঠাক আছে কি না, তা যাচাই করুন। না পেলে সঙ্গে সঙ্গে সিপিআর শুরু করুন।

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular