ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedমন্দিরের মেহেদি তিন ঘণ্টায় শেষ ৩৫০০ কেজি

মন্দিরের মেহেদি তিন ঘণ্টায় শেষ ৩৫০০ কেজি

ভক্তদের বিশ্বাস, মন্দিরের মেহেদি পরলে এক বছরের মধ্যেই বিয়ে হয়ে যাবে। আর এই বিশ্বাস থেকে মেহেদি নিতে মানুষের ঢল নামল ভারতের জয়পুরের বিখ্যাত মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে। মাত্র তিন ঘণ্টাতেই শেষ হয়ে যায় প্রায় তিন হাজার ৫০০ কেজি মেহেদি।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিঞ্জারা উৎসব উপলক্ষে এই মন্দিরে ভক্তদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। আর এ সময় মন্দিরে বিশেষ মেহেদি দেওয়া হবে জানতে পেরে জড়ো হন হাজারো ভক্ত। এ পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ের আগেই মেহেদি বিতরণ শুরু করতে হয় মন্দির কর্তৃপক্ষকে।

প্রতিবেদনে জানা যায়, মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে আসা ভক্তদের কাছে সিঞ্জারা মেহেদির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। বিশ্বাস করা হয়, বিয়েতে বাধার মুখে থাকা ব্যক্তিরা মন্দিরে মেহেদি দেন। পরে সেই মেহেদি হাতে লাগান তাঁরা। তাঁদের আশা, এক বছরের মধ্যে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী পাওয়া যাবে।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্ট থেকে জানা যায়, মাত্র তিন ঘণ্টায় প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কেজি মেহেদি বিতরণ করা হয়েছে। দিল্লি ও চণ্ডীগড়সহ বিভিন্ন শহর থেকে ভক্তরা মেহেদি সংগ্রহ করতে মন্দিরে আসেন বলে জানা গেছে। তাঁদের কেউ কেউ আগের রাতেই মন্দিরে পৌঁছেছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, মন্দিরের বাইরে দীর্ঘ সারি ও বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড়। এই ভিড়ের কারণে আশপাশের এলাকাতেও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। মন্দির প্রাঙ্গণে ধাক্কাধাক্কি ও ঠেলাঠেলির ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।

ভিড়ের মধ্যে মহারাষ্ট্রের এক নারী ভক্ত অচেতন হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ দিকে ভিডিওটি এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। এটি নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে। এক ব্যবহারকারী রসিকতা করে লিখেছেন, ‘সালমান খান কোথায়?’

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘এত অবিবাহিত মানুষ থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশের জনসংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।’

তৃতীয় একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘আগে নিজেকে রেডি করো তারপর জীবনসঙ্গীর খোঁজ করো।’

আরেকজন বলেন, ‘এ দিকে কাজ খুঁজে পাচ্ছি না, আর এদের মাথার কেবল বিয়ের চিন্তা।’

গণেশ চতুর্থীকে ঘিরে এই সিঞ্জারা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সারা বছরই এই মন্দিরে প্রচুর ভক্ত ও পর্যটকের সমাগম ঘটে। তবে গণেশ চতুর্থীর সময় বেশি ভিড় হয়। বিবাহ নিয়ে একাধিক লোকবিশ্বাসের সঙ্গে এই মন্দিরটি জড়িয়ে আছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular