ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedশান্তরা এখন অস্ট্রেলিয়ায় পর্যটক

শান্তরা এখন অস্ট্রেলিয়ায় পর্যটক

নিউজ ডেস্ক : ছোট্ট শহরে দেখার বলতে সমুদ্রসৈকত, পোতাশ্রয় আর পার্ক। এই কয়টি দর্শনীয় স্থান এক বেলায় দেখে নেওয়া যায়। আরও কিছু দেখতে হলে নাজমুল হোসেন শান্তদের যেতে হবে দ্বীপে। যেমন গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ আইল্যান্ডে। শিশু সন্তান নিয়ে অ্যাডভেঞ্চার করার ইচ্ছা অধিনায়কের নেই, তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেলবোর্নে বেড়াবেন। তাসকিন আহমেদ পরিবার নিয়ে সিডনি গেছেন ছোট বোনের বাড়ি। লিটন কুমার দাস ব্রিসবেনে সস্ত্রীক। যেসব খেলোয়াড়ের পরিবার এসেছে, তাদের কেউই ম্যাকাইয়ের টিম হোটেলে থাকেননি। পর্যটক হয়ে বেরিয়ে পড়েছেন পছন্দের জায়গাগুলো ঘুরে দেখতে।

যাদের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, তারা টিম হোটেলের বাসিন্দা। এই সংখ্যাটাই বেশি। গতকাল সোমবার টিম হোটেলে গিয়ে দেখা গেছে তারাও বসে নেই। ক্রিকেটারদের প্রায় সবাই বেড়াতে গিয়েছিলেন শহর থেকে একটু দূরে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা খেলোয়াড়দের আনন্দ ভ্রমণের ব্যবস্থা করেছেন। পাঁচ দিনের খেলা দুই দিনে শেষ হলে বাকি তিন দিন কিছু না করে থাকার উপায় নেই। যদিও সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক শান্ত বলেছিলেন, ঘুমিয়ে কাটাবেন তিন দিন।

টেস্ট ম্যাচ পাঁচ দিন মাঠে থাকবে, সেভাবে সূচি করা হয়। ম্যাচ আগে শেষ হলে ক্রিকেটারদের ভেন্যুতেই থাকার নিয়ম। কাছের দেশ হলে কেউ কেউ নিজের টাকায় দেশে ফিরে আসেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আসতে অনেক খরচ। তাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সুযোগসুবিধা নিয়েই দেশে ফিরবেন মুশফিকুর রহিমরা। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানান, দলের সবাই ২৭ আগস্ট দেশে ফেরার বিমান ধরবেন। কারণ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার পক্ষেও দ্বিতীয়বার লোকাল টিকিট কেটে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের দেশে ফেরার বাড়তি ব্যয় বহন করবে না।

প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার, ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল, পেস বোলিং কোচ তালহা জুবায়ের, ফিল্ডিং কোচ আশিক মজুমদার একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। শপিংমল ঘুরে ঘুরে পছন্দের কেনাকাটা করতে দেখা গেল তাদের। সিডনির বিমান ধরার আগে জিম করতে গিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ। হোটেলে অলস বসে থাকার চেয়ে খেলোয়াড়দের কেউ কেউ জিম-সুইমিং করাকে শ্রেয় মনে করেন। সৌম্য সরকার তাদেরই একজন।

তাসকিন যেখানেই থাকেন নিজের কাজটা ঠিকমতো করেন। পরিবার নিয়ে বোনের বাড়ি গেলেও জিম বাদ দেবেন না বলে জানান এই পেস বোলার। ৩২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটারের বাবা-মা, স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, বোন, ভাগনি সবাই একসঙ্গে রয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে এসে একটি পারিবারিক পুনর্মিলনীও হয়ে যাচ্ছে তাদের। পরিবার সঙ্গে না থাকায় মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাদমান ইসলাম, হাসান মাহমুদ, শরিফুল ইসলামরা মোটামুটি ব্যাচেলর জীবন ফিরে পেয়েছেন। বুঝতেই পারছেন ক্রিকেটারদের কেউই ঘুমিয়ে নেই। তারা এখন পর্যটক।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular