ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকদিল্লীতে লাল কেল্লা এলাকায় গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

দিল্লীতে লাল কেল্লা এলাকায় গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

নিউজ ডেস্ক: সোমবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ভারতের রাজধানী দিল্লীতে লাল কেল্লা সংলগ্ন এলাকায় একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, এতে অন্তত আট জন নিহত এবং প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন।

সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণটি হয় রাতে ঘটনাস্থলটি, একাধিক জনবহুল রাস্তাঘাট ও মেট্রো স্টেশনের ভেতরে।

পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িটি ধীরে ধীরে চলছে ও সিগনালে থামার পর কয়েক সেকেন্ডেই বিস্ফোরণ ঘটে—গাড়িটির নম্বর, রেজিস্ট্রেশন এবং আগের মালিকদের খোঁজ চলছে।

বিস্ফোরণের ধাক্কায় আশপাশের বেশ কিছু গাড়ি আগুন ধরে যায়, জনরেল আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এক সাক্ষী জানায়, “বিস্ফোরণে আমার ঘরের জানালা কেঁপে উঠেছিল, সারা রাস্তায় ধোঁয়া ও আগুন।”

ঘটনার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্রুত যোগাযোগ করেন। মোদী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম X-এ লিখেছেন, “প্রিয়জন হারিয়েছেন—আমাদের সম্পূর্ণ সমবেদনা।”

ঘটনা তদন্তে ঢিল ছাড়ো হয়নি—পুলিশ বিস্ফোরণ স্থানে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ) এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা সংস্থা এনএসজি অংশ নেয়।

ইতিমধ্যেই এলাকায় নিরাপত্তা সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে, নোইডা ও ঘাজিয়াবাদ সীমান্ত ও মেট্রো স্টেশনগুলোতে বিশেষ নজরদারি চালু হয়েছে।

মার্কিন দূতাবাসসহ বিদেশি দূতাবাসগুলো নাগরিকদের লাল কেল্লা, চান্দনি চক এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, গাড়িটি এক পার্কিংয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা পার্ক করা ছিল, এরপর আচমকা ট্রাফিক সিগনালে থেমে বিস্ফোরণ ঘটে—পুলিশ এতে আত্মঘাতী হামলায় সন্দেহ করছে।

এই বিস্ফোরণ শুধু দিল্লিতেই সীমাবদ্ধ নয়, ভারতের বৃহত্তর নিরাপত্তা-ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও বড় সতর্কতা সংকেত। ইতিহাসে ২০১১ সালের কর্মকাণ্ডের পর থেকে এই ধরনের ঘটনা দমনের পরও নিরাপত্তার বিষয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে—দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত পরিচালনা করে বিষয়টি প্রকাশ করা। আইন প্রয়োগকে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা ও সুরক্ষা দেওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় মহল। আহতদের দ্রুত সেরে ওঠার প্রার্থনায় সময় চলছে—সবপক্ষকে একসঙ্গে এসে সমস্যাটির কারণ ও প্রতিকার নির্ধারণ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আগামী সময়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতে সন্ত্রাস-প্রবণতা, শ্বেতাঙ্গ উপাদান এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির দিক বেশি মনিটর করতে হবে।

ঢাকানিউজ২৪/মহফ

আরো পড়ুন : দিল্লিতে লাল কেল্লা বিস্ফোরণ: প্রাণহানি ও আহত

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular