নিউজ ডেস্ক: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম দিয়ে নির্বাচনে ভোটারদের আকৃষ্ট করা যেমন সহজ, তেমনি অপতথ্য ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোও সহজ– একজন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের মা সামিরুন নেসা একথা বলেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, এ আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তরুণ প্রজন্ম, তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হার–জিত তরুণ ও নতুন ভোটাররাই নির্ধারণ করে দিতে পারে।
একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেন, নতুন ভোটার বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের ভোট কার বাক্সে যাবে, তা আগাম ধারণা করা কঠিন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বা অপপ্রচার তরুণদের প্রভাবিত করবে এবং এই ‘ডিজিটাল’ প্রজন্মই হবে এবারের নির্বাচনের মূল নিয়ন্ত্রক। তাই, ভোট টানতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও নতুন কৌশল সাজাতে হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে দেশের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তাতে দেখা যায়, বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ। দেশে সর্বশেষ প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ওই নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৮ কোটি ১১ লাখ। অর্থাৎ ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর ৪ কোটি ৬৬ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন, যা মোট ভোটারের সাড়ে ৩৬ শতাংশ। নতুন এই ভোটারদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। এ অংশ আগামী নির্বাচনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করবে বরে নি:সন্দেহে ধারণা করা হয়।।




