ঢাকা  রবিবার, ২১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকআয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যে বাংলাদেশের শ্রদ্ধা

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্যে বাংলাদেশের শ্রদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তেহরানে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন তিনি। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান, পার্লামেন্টের প্রতিনিধি, কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।

শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে স্পিকার বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং ইরানের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সহযোগিতার ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে বাংলাদেশ বিশ্বাস করে। একই সঙ্গে তিনি শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। এ সময় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সংসদীয় সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক শান্তি, সংলাপ এবং কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি সমর্থনের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

তেহরানে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রীয় এই শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। দেশটির রাজনৈতিক, সামরিক, ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হওয়া অনুষ্ঠানে ইরানের ইতিহাস ও নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক স্মরণ করা হয় এবং প্রয়াত নেতার অবদান তুলে ধরা হয়।

পররাষ্ট্র বিশ্লেষকদের মতে, এমন উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে। একই সঙ্গে এটি আন্তর্জাতিক শোকানুষ্ঠানে বাংলাদেশের সক্রিয় কূটনৈতিক উপস্থিতিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।-

বাংলাদেশ সরকার বরাবরই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্মান, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং গঠনমূলক সহযোগিতার নীতিকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকারের এই সফর ও রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে অংশগ্রহণকে কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular