কক্সবাজার প্রতিবেদক: কয়েক দিনের অব্যাহত ভারী বর্ষণে কক্সবাজারে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। জেলার ৯টি উপজেলার অর্ধশত ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। পাহাড়ি ঢল ও নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ঈদগাঁও, রামু, চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী ও টেকনাফের লাখো মানুষ পড়েছেন দুর্ভোগে। পাহাড়ধ্বসে দুদিনে জেলায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বৈরী আবহাওয়ায় টানা পাঁচ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌযোগাযোগ। সাগরে পানির উচ্চতা বেড়ে দ্বীপের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। একই সঙ্গে উত্তাল সাগরের উপচে পড়া ঢেউ দ্বীপের চারপাশে আছড়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে আছেন স্থানীয়রা। একইভাবে মহেশখালী-কক্সবাজার নৌরুটেও যাতায়াত দুর্ভোগে পড়েছেন দ্বীপবাসী।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আবদুল হান্নান জানান, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোর ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১২৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। ভোর ৬টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ৪৭ মিলিমিটার। ৩৩ ঘণ্টায় মোট বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৭৬ মিলিমিটার। আগামী দু-তিন দিনও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে পাহাড়ধ্বস ও ভূমিধ্বসের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।




