নাজমুল হোসেন: লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট খাদ্যগুদামে চলতি মৌসুমে সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মধ্যস্বত্বভোগী বা সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য ছাড়াই নির্ধারিত ১৫০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা গত বৃহস্পতিবার শতভাগ অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে কমলনগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক।
কমলনগর উপজেলা খাদ্যগুদাম সূত্র জানায়, কৃষি কার্ডের তালিকাভুক্ত প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকেই সরাসরি সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৪৪০ টাকা মণ দরে মানসম্মত ধান কেনা হয়েছে। এতে কোনো আড়তদার বা ব্যবসায়ীর হস্তক্ষেপের সুযোগ রাখা হয়নি।
সম্প্রতি কিছু মহলে খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে গুদামের নিরাপত্তা পহরি মো. হাছানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে গুদামের পরিদর্শক বলেন, ‘মো. হাছান একজন সাধারণ নিরাপত্তা পহরি, যিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেছেন মাত্র। নীতিগত সিদ্ধান্ত বা তালিকা প্রণয়নের সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। প্রকৃত কৃষকদের কোনো বক্তব্য বা তথ্যপ্রমাণ ছাড়া অভিযোগটি করা হয়েছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
এর আগে হাজিরহাট খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) নিসাত জাহান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছিলেন, সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত কৃষক ছাড়া অন্য কারও কাছ থেকে ধান সংগ্রহের সুযোগ নেই। পুরো কার্যক্রমে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ছিল বলেও তারা নিশ্চিত করেছেন।
হাজিরহাট খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি এলএসডি) নিসাত জাহান বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি ভিত্তিহীন। আমি যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী ধান নিয়েছি।




