ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসর্বশেষপশুর হাটে ক্রেতা কম, বিক্রেতারা যাচ্ছেন শহরের বাজারে  

পশুর হাটে ক্রেতা কম, বিক্রেতারা যাচ্ছেন শহরের বাজারে  

বিজয় কর রতন মিঠামইন (কিশোরগঞ্জ)প্রতিনিধি:- মিঠামইনে এবার কোরবানির ঈদ কে সামনে রেখে ১১৫৪১ টি গবাদিপশু প্রস্তুত করেছেন কৃষক ও খামারিরা। মিঠামইন উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর সূএ বলছে,এবার মিঠামইন উপজেলা কোরবানি ঈদে গবাদিপশুর চাহিদা ৯৫০০ চাহিদার চেয়ে ২০৪১ টি পশু বেশি প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে ষাড় ২৭৭২, বলদ ২৫, গাভি ৭২৬,মহিষ ২০০,ছাগল ৭০৫৪, ভেড়া ৭৭৪ টি।

খামারিও কৃষকরা জানান,বাজারে এক লাখ টাকার মধ্যে গরুর চাহিদা বেশি, খামারীর পশু থাকায় দাম পাওয়া নিয়ে শংকায় রয়েছেন। কিশোরগঞ্জের হাওড় উপজেলা ইটনা,মিঠামইন,অষ্টগ্রামে ২৪ টি গরুর খামার রয়েছে। এছাড়াও হাওরে এমন কোনো বাড়ি নেই যে,দু চারটা গরু পালন হচ্ছে না।প্রতি বছর গরু পালন করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন অনেকেই। সকল খামার গুলি তে প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে কোনো প্রকার ক্ষতিকারক ঔষধ ছাড়াই গরু মোটাতাজা করা হয়ে থাকে। এসময়ে গরু মোটা তাজা করতে যেনো কোনো খামারি গরুকে বিভিন্ন প্রকার নিষিদ্ধ ঔষধ যেমন,হরমোন,ডেক্সামিথাজল,ডেকাসন,স্টোরেয়ড ইত্যাদি না খাওয়ানোর জন্য প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তারা চেষ্টায় রয়েছেন।জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূএে জানা যায়, জেলায় ৬০ টি গরুর হাট রয়েছে এসকল হাটে ৪০ টি ভেটেনারি টিম কাজ করছে।এর মধ্যে হাওর উপজেলা ইটনা ২ টি, মিঠামইনে ৪ টি ও অষ্টগ্রামে ২ টি টিম কাজ করবে।এছাড়াও প্রতি উপজেলা ভিওিক একটি করে ভেটেনারি টিম গঠন করা হয়েছে।

মিঠামইনের খামার মালিক মুক্তার হোসেন গোলাপ জানান,এবছর ছোট আকারের গরু৮৫ হাজার, মাজারি ১ লক্ষ ৩০ হাজার, বড় আকারের গরু২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিক্রি হবে বলে আশা করছেন।হাওরের ৩ টি উপজেলার মধ্যে মিঠামইন গরুর হাট সবচেয়ে বড় এখানে প্রচুর পরিমাণে পাইকারও ক্রেতারা আসেন।মঙ্গলবার মিঠামইন হেলিপ্যাড মাঠে পশুর হাটে অন্তত ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার পশু আমদানি হয়েছে। কিন্তু ক্রেতার সংখ্যা কম।কিছু কিছু পাইকার গণ গরু কিনে লাভের আশায় অন্যএ বিক্রি করার জন্য তারা ১ লক্ষ থেকে শুরু করে ২ লক্ষ টাকা মূল্যের গরু ক্রয় করছে এসকল গরু ঢাকায় গাবতলি নিয়ে বিক্রি করবে বলে গরু পাইকার আবদুল মিয়া জানান। তিনি ১১ টি গরু ক্রয় করেছেন খামারিও কৃষকদের নিকট থেকে। স্থানীয়রা হয়তো ঈদের আগে আরও বাজার রয়েছে। সেখান থেকে কোরবানির গরুর কিনবে এরপরও খামারিরা গরুর ন্যায্য মূল্য নিয়ে শংকায় রয়েছে।কারণ কৃষকের গোয়ালের গরু অবশেষে কম মূল্যে বিক্রি করে দিবে। কিন্তু খামারিদের তো এটা পোষাবে না।খামারিরা আরও জানান। যদি বিদেশি গরু দেশে প্রবেশ করে তবে এবার পথে বসতে হবে।কারণ গো খাদ্যের মূল্য প্রচুর।

মিঠামইন উপজেলার প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: হিজায়েল মাহমুদ জানান, এবছর মিঠামইনে ১১ হাজার ৫ শত পশু রয়েছে কোরবানির জন্য। পশুর চাহিদা রয়েছে ৯৫০০ টি চাহিদার চেয়ে ২০৪১ টি পশু বেশি প্রস্তুত রয়েছে। পশুর সংখ্যা যেহেতু বেশি ক্রেতার সংখ্যা কম তাই নূন্যতম লাভে পশু বিক্রি করলে খামারিদের ভালো হবে। আমাদের প্রতিটি হাটে ভেটেনারি টিম রয়েছে তারা নিয়মিত কাজ করছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular