নিউজ ডেস্ক : ফ্লাইট এক্সপার্ট ২০১৭ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশে আত্মপ্রকাশ করে। এটি দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের টিকেট বুকিং, হোটেল রিজার্ভেশন, ট্যুর প্যাকেজ ও ভিসা প্রক্রিয়াকরণ সেবা দিয়ে আসছিল। যুক্তিসংগত মূল্যে টিকেট সরবরাহের কারণে প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের মধ্যে দ্রুত পরিচিতি অর্জন করেছিল।
২০২৫ সালের ৩ আগস্ট গভীর রাতের দিকে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইট হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেছে। একই সময়ে কোম্পানির এমডি সালমান বিন রশিদের ‘দেশত্যাগের’ গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সালমান বিন রশিদ কোনো প্রকার অবগতির বাইরে পারিবারিক সদস্যদের নিয়ে দেশের বাইরে চলে গেছেন।
ওই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মেট্রোপলিটন মতিঝিল থানার সামনে আগাম টিকেট কিনে ফ্লাইট এক্সপার্টের সেবা গ্রহণ করেছিল এমন গ্রাহক ও টিকেট এজেন্সি মালিকরা ভিড় জমায়। তারা তাদের অগ্রিম পরিশোধিত অর্থ ও টিকিট সেবার বিষয়ে নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন।
মতিঝিল থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানান, এ পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ না পাওয়া সত্ত্বেও মৌখিকভাবে ভুক্তভোগীদের প্রতিক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে। হেড অব কমার্শিয়াল সাঈদ আহমেদ জিডি-তে উল্লেখ করেছেন যে এমডি কাউকে কিছু না জানিয়ে দেশত্যাগ করেছেন ও হোয়াটসঅ্যাপে কোম্পানি বন্ধের কথা ঘোষণা করেছেন।
অর্থ ও টিকিট সংক্রান্ত ঝুঁকিতে পড়ায় প্রতিষ্ঠানটির উপর মানক্ষুণ্ন হতে পারে। বর্তমানে বিদেশি ভ্রমণে আগ্রহী যাত্রীরা টিকেট নিশ্চিত না হওয়ার কারণে তাঁরা উদ্বিগ্ন।
কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা ও ক্ষতিপূরণের দাবির সম্ভাবনা আসবে।
ফ্লাইট এক্সপার্টের হঠাৎ সেবা বন্ধ ও এমডি’র দেশত্যাগ ভ্রমণ সংশ্লিষ্ট সেক্টরে ফাঁক সৃষ্টি করেছে। দ্রুত আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রাহক ও শিল্পের আস্থা পুনঃস্থাপন করা অত্যাবশ্যক। সূত্র : বিডিনিউজ২৪
ঢাকানিউজ২৪/মহফ



