ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআইন ও আদালতবিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি

নিউজ ডেস্ক:  ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে একটি সংবাদকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মতাদর্শগত বিরোধ ও অতীতের রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে শাস্তির মুখে শিক্ষকরা। এমন অগণতান্ত্রিক, প্রতিহিংসামূলক ও ন্যায়বিচারবিরোধী উদ্যোগকে কেন্দ্র করে উদ্বেগ, প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে একটি সংগঠন।

রবিবার (১৬ আগস্ট) সংগঠনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে সাক্ষর করেন সংগঠনটির সভাপতি প্রফেসর এম ওয়াহিদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক ড. মাহবুবর রহমান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভিত্তিহীন সংবাদকে কেন্দ্র করে শিক্ষক সমাজকে রাষ্ট্রবিরোধী ও কোনো ‘গোপন তৎপরতার’ সঙ্গে যুক্ত করার প্রবণতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংবাদ প্রতিবেদনকে চূড়ান্ত সত্য বিবেচনায় শিক্ষকদের হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, প্রশাসনিক চাপ ন্যায়বিচার, প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসনের পরিপন্থী।

বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। যা মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উজ্জীবিত। দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা যেসব অন্যায়, বৈষম্য, হেনস্তা ও একাডেমিক নিপীড়নের মুখোমুখি হয়েছেন, তাদের সাংবিধানিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংগঠনটি নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।

এতে বলা হয়, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই-একজন শিক্ষক কোনোভাবেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে পারেন না। একজন শিক্ষক কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাস করেন, অতীতে কী রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছেন কিংবা ব্যক্তিগতভাবে কারও সঙ্গে মতপার্থক্য রয়েছে-এসব কোনোভাবেই তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ভিত্তি হতে পারে না।

আরও বলা হয়, রাজনৈতিক পরিচয়, মতাদর্শ বা ব্যক্তিগত বিরোধকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তচিন্তা, জ্ঞানচর্চা, গবেষণা, যুক্তিবোধ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অন্যতম প্রধান ক্ষেত্র।

শিক্ষকদের ভয় দেখিয়ে, অপমানিত করে, চাকরির নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রেখে কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে শাস্তির মুখোমুখি করলে শুধু শিক্ষকসমাজই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না; এর সরাসরি প্রভাব পড়বে শিক্ষার্থী, গবেষণা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ এবং দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চার ওপর। এসব তদন্ত ও শাস্তিমূলক প্রক্রিয়া অবিলম্বে বন্ধসহ বিজ্ঞপ্তিতে ৮ দাবি জানানো হয়।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular