ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedময়লার ভাগাড় এখন সবুজ বাগান, ডিসির উদ্যোগের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

ময়লার ভাগাড় এখন সবুজ বাগান, ডিসির উদ্যোগের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক: দুই দশকের ময়লার ভাগাড় সরিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন বাগান ‘রূপান্তর’। এ উদ্যোগের প্রশংসা করে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) আমিনবাজারে নিমগাছ রোপণের মাধ্যমে বাগানটির উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী।

‘পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে একটি এলাকাকে মানুষের কল্যাণে কীভাবে সুন্দরভাবে পরিবর্তন করা যায়, আমিনবাজারের এই উদ্যোগ তার বড় প্রমাণ’ মন্তব্য করে তারেক রহমান দুই মাসের ব্যবধানে এখানকার বাসিন্দারা এখন সুন্দর পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সৌন্দর্য ধরে রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদের নিতে হবে। জনগণ সরকারকে সহযোগিতা করলে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে।’

আমিনবাজারের উদ্যোগ আশপাশের এলাকাতেও ছড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে মহাসড়কের দুই পাশে থাকা মিল-কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে ফাঁকা জায়গাগুলোর পরিচর্যার দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার জন্য বলেন।

ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের উদ্যোগকে দেশের অন্য ৬৩ জেলার প্রশাসকদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্র অন্য জেলার প্রশাসকেরাও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই দশক ধরে আমিনবাজারে মহাসড়কের পাশে বর্জ্য ফেলে ৩০ ফুট পর্যন্ত উঁচু স্তূপ তৈরি হয়েছিল। গত জুলাইয়ে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সেনাবাহিনীর বর্ষাকালীন মহড়া পরিদর্শনে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী এই ভাগাড় ও দুর্গন্ধ দেখতে পান। এরপর তিনি স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পরে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের তত্ত্বাবধানে সাভার উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার সহযোগিতায় প্রায় তিন মাসের প্রচেষ্টায় বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এরপর জমি প্রস্তুত, মাটির ক্ষয় রোধ এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য ২০টি সারফেস ড্রেন নির্মাণ করা হয়।

প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১০ থেকে ২৫ মিটার চওড়া বাগানটিতে নিম, সুপারি, তাল, মাধবীলতা, সিজিয়াম ও রঞ্জনসহ মোট ৬ হাজার ৫৮৫টি গাছ ও শোভাবর্ধক উদ্ভিদ লাগানো হয়েছে। পরিবেশবান্ধব অবকাঠামোর অংশ হিসেবে স্থাপন করা হয়েছে দুই কিলোওয়াটের সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল ও এক কিলোওয়াটের বায়ুবিদ্যুৎ টারবাইন। রাতের আলোকসজ্জার জন্য রয়েছে ১২০টি বৈদ্যুতিক বাতি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular