ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedরাষ্ট্রপতিকে বহাল রেখে মধু খেয়ে, এখন তার বিচার দাবি করা হাস্যকর!

রাষ্ট্রপতিকে বহাল রেখে মধু খেয়ে, এখন তার বিচার দাবি করা হাস্যকর!

সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতিকে বহাল রেখে সুবিধা ভোগ করার পর এখন তার বিচারের দাবি তোলাকে পুরোপুরি হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি–এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে উদ্দেশ্য করে মূলত এই মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ওই পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের বিদ্যমান সংবিধানে রাষ্ট্রপ্রধানকে আইনি দায়মুক্তি দেওয়া আছে। নাহিদ ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা যদি সংবিধানের আওতায় সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে শপথ গ্রহণ না করে একটি বিপ্লবী সরকার গঠন করতেন, তবে এই দায়মুক্তির প্রশ্নটিই উঠত না। সেই পরিস্থিতিতে ওই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে যেকোনো আইনি বা বিচারিক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ থাকত।

তিনি আরও যুক্তি তুলে ধরে বলেন, বিদায়ী রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথ নেওয়ার মাধ্যমেই মূলত তাকে এক ধরনের মার্জনা দেওয়া হয়েছিল এবং নাহিদ ইসলামদের পরামর্শে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাধ্যমেই তাকে নতুন করে বৈধতা দেওয়া হয়। কোনো ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ ক্ষমা প্রদর্শন ও নতুন করে মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়ার পর পুনরায় তার বিচারের দাবি তোলা কোনো যুক্তিতেই পড়ে না।

পরিস্থিতির জন্য নাহিদ ইসলাম ও তার সহকর্মীদের জাতির কাছে জবাবদিহি করা উচিত বলে মনে করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, নিজেদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ভুলের দায় স্বীকার করে তাদের জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। নিজেদের ভুল ঢাকতে এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত বা ‘আইওয়াশ’ করতেই এখন বিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিচারের আওয়াজ তোলা হচ্ছে। নিজেদের শাসনসীমায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে থাকার সময়ে কেন তার বিচার করা হয়নি—সেই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, সে সময় সুবিধা উপভোগ করে বিদায় নেওয়ার পর এখন বিচারের দাবি করা নিতান্তই একটি হাস্যাস্পদ বিষয়।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular