নিজস্ব প্রতিবেদক: ভিসির মাধ্যমে অগণতন্ত্রিকভাবে ও গঠনতন্ত্র না মেনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (রুয়া) আহ্বায়ক কমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠন করায় তা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। রোববার (১১ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরি। এছাড়া সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আইয়ুব আলী। তার সঙ্গে বক্তব্য রাখেন শামীম রেজা খান।
সুব্রত চৌধুরি বলেন, আমরা খেয়াল করলাম ২ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এজিএমের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্পূর্ণ এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে গঠনতন্ত্রের অপব্যবহার করেছেন।
ভিসি ওই অপপ্রয়োগের মাধ্যমে এজিএসের সিদ্ধান্তে গঠিত বৈধ আহ্বায়ক কমিটিকে পাশ কাটিয়ে তার নিজের চিন্তায় নতুন ৫ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ও ৫ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন কমিটি গঠন করেছেন।
এজিএমে নির্বাচন কমিশনের জন্য ৯০ দিন সময়সীমা নির্ধারণ করা থাকলেও আহ্বায়ক কমিটির জন্য কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। সে অর্থে নির্বাচিত নির্বাহী কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত তারা (এজিএম-এ দায়িত্ব প্রাপ্ত আহ্বায়ক কমিটি) কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে। নিয়ম অনুযায়ী, এই আহ্বায়ক কমিটি নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।
দাবিগুলো হলো-
১. ভিসি কর্তৃক ২ মে ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি ও নির্বাচন কমিশন বাতিল ঘোষণা করতে হবে।
২.গত ৭ ফেব্রুয়ারি এজিএমে ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটিকে পুনরুজ্জীবিত (বহাল) ঘোষণা করতে হবে।
৩.পুনরুজ্জীবিত (প্রাক্তনীদের এজিএমে ঘোষিত) আহ্বায়ক কমিটি সকল স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবে।
৪. গঠিত নির্বাচন কমিশন নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সর্বজনের স্বার্থে বিবেচনা প্রসূত সুবিধাজনক সময়ে ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করবে। ৫.অধিক সংখ্যক ভোটার বিবেচনায় এবং নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করার স্বার্থে রাজশাহীতে আবাসিক সংকুলান, যাতায়াতের সমস্যা বিবেচনায় প্রতি ৫০০ জন ভোটারের এলাকায় আলাদা ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা। কিংবা ন্যূনতম ভোট কেন্দ্র-রাজশাহী, রংপুর, যশোর, পাবনা, বগুড়া ও ঢাকায় ভোট কেন্দ্র স্থাপন করা। ৬. দূরবর্তী এবং বিদেশে অবস্থানরত ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুবিধার্থে ডাকযোগে ভোটের ব্যবস্থা করা।



