বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা: বিগত ১৬ বছরের অর্জিত ক্রিমিনালাইজেশন থেকে উত্তরণে পলিসি ডাইভারশন জরুরি। আর এই ডাইভারশন করতে গেলে আমাদের কগনিজেন্ট হতে হবে।আমাদের নিয়ামকগুলোকে সুনির্দিষ্ট করে প্রয়োজনীয় নীতি গ্রহণ করতে হবে।
২৫ জুন বুধবার বিকালে ইকোনমিক রিপোটার্স ফোরাম (ইআরএফ) অডিটোরিয়ামে ইআরএফ ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ এর যৌথ আয়োজনে ‘অটোমোবাইল পলিসি ফর গ্রিন গ্রোথ অ্যান্ড কম্পিটিটিভ ইকোনমি’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দেশে বাল্ক কার্গো আসে,সেটা সিমেন্ট ক্লিঙ্কার,ফার্টিলাইজার বা ফুডগ্রেইন যার পরিমান প্রায় ১০ কোটি টন। সেমিনারে বলা হয়েছে আমাদের জিডিপির প্রায় ২০ শতাংশ জলিস্টিক।আমাদের যে ক্যাশ আউটফ্লো হয় তার সাথে এটাকে কলাবরেট করাতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের ক্যাস আউটফ্লোর একটা বড় অংশ বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যয় হয়। যেমন আমরা যে এক্সটারনাল ফ্রেইট পরিশোধ করি,যে বিমান ভাড়া পরিশোধ করি ,পোর্ট কস্ট পরিশোধ করি তার সবই জলিস্টিক কস্ট।দু:খজনক হলেও সত্য আমাদের দেশের লজিস্টিক কস্ট বিশ্বের উন্নত দেশের জলিস্টিক কস্ট এর চাইতে বেশি। এইমুহূর্তে আমাদের দেশে একচল্লিশ বিলিয়ন কিলোমিটার টন লজিস্টিক প্রয়োজন আছে। ২০৪০ সালে এটা নয়গুণ বেড়ে ৩০০ বিলিয়ন কিলোমিটার টনে রুপান্তরিত হবে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের অর্থনীতির মোটাদাগে নিয়ামকগুলোর মধ্যে কৃষি ,শিল্প এবং সেবা অন্যতম ।এসকল কিছুর প্রাইমারি এনাবলার হচ্ছে লজিস্টিক। এটার সাথে ইউটিলিটি,গ্যাস ও বিদ্যুৎ এবং লেবার প্রডাক্টিভিটি। এগুলোকে যদি সমন্বিত করি তাহলে দেখি আমাদের দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজার বা খাদ্যপণ্যের বাজার ১৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
আমরা যদি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট চিন্তা করি আমাদেরদেশের যে সকল স্থানের নাম গঞ্জ দিয়ে আছে সেটা সিরাজগঞ্জ হোক আর মুন্সিগঞ্জ আর নারায়ণগঞ্জ হোক এগুলো ছিলো আমাদের দেশের লজিস্টিক হাবস। পৃথিবীতে এমন দেশ আর আছে কিনা জানানেই যেখানে দুইশ এর অধিক নদী আছে বলে যোগ করেন তিনি।
শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, আমাদের ১৭/ ১৮ কোটি জনসংখ্যার দেশ।কোন খনিজ সম্পদ নেই আছে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড। এই বিপুল সংখ্যক জনসংখ্যা খুবই ভাইব্রেন্ট ও প্রডাক্টিভ। এটাকে যদি আমরা ব্যবহার করি তাহলে লজিস্টিক ক্যাপাসিটি ও শ্রমশক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যদি শ্রমের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারি তাহলে একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।



