ঢাকা  রবিবার, ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশরাজধানীতে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা

রাজধানীতে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : রাজধানীতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এর মধ্যে অপরাধপ্রবণ হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদপুর এলাকায় বসানো হবে প্রায় ৭০০টি ক্যামেরা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকায় অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প উদ্বোধন ও থানা পুলিশের ‘ওপেন হাউস ডে’ অনুষ্ঠানে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার এ তথ্য জানান।

মো. সরওয়ার বলেন, রাজধানীজুড়ে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সহজ হবে। মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও মাদক-সংক্রান্ত অপরাধের প্রবণতা বেশি থাকায় সেখানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ কারণে সরকারিভাবে ৭০০ সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন এবং নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, অপরাধীদের একটি তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে। তাদের আয়ের উৎস ও কার্যক্রম বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোর গ্যাং সদস্যদের বিরুদ্ধেও কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে। গুলশান-বনানী এলাকায় স্থাপিত সিসি ক্যামেরা ব্যবস্থার আদলে মোহাম্মদপুরেও নজরদারি জোরদার করা হবে।

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নিজ নিজ বাসা ও প্রতিষ্ঠানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করলে অপরাধ দমনে তা সহায়ক হবে। অপরাধীদের তথ্য দিলে পুরস্কারের ব্যবস্থাও থাকবে। তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের ছবি প্রকাশ করা হবে বলেও জানান তিনি। এ ছাড়া হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিক-ব্যবস্থাপক এবং বাসাবাড়ির ভাড়াটিয়াদের তথ্য সংরক্ষণে শিগগিরই একটি অ্যাপ চালু করার পরিকল্পনার কথাও জানান।

জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় পুলিশ উপস্থিতি কমে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সরওয়ার বলেন, সেখানে গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। র‍্যাব, ডিবি ও পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে এবং অপরাধীদের ধরতে বিভিন্ন কৌশল নেওয়া হচ্ছে।

মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠানে তাঁরা বলেন, কিশোর গ্যাং, ছিনতাই ও মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ বাড়ায় এলাকার সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

তাঁরা রায়েরবাজার, বেড়িবাঁধ ও বুদ্ধিজীবী কবরস্থান এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে এসব স্থানে বাড়তি নজরদারি ও টহল জোরদারের আহ্বান জানান।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular