ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeশিক্ষাএমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ইএফটিতে বেতন পাবেন আগামী সপ্তাহে

এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা ইএফটিতে বেতন পাবেন আগামী সপ্তাহে

নিজস্ব প্রতিবেদক:   ইলেক্ট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) পদ্ধতির আওতায়, এমপিওভুক্ত আরও এক লাখ শিক্ষক বেতন প্রদান সংক্রান্ত তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। এরপর শিক্ষকরা ব্যাংক থেকে বেতনের সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন।

বুধবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস.এম জিয়াউল হায়দার হেনরী দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, যে শিক্ষকরা প্রথম ধাপে ইএফটিতে বেতন-ভাতা পাননি, আগামী সপ্তাহে তারা বেতনের মেসেজ পাবেন। বিষয়টি নিয়ে আমাদের ইএমআইএস সেল কাজ করছে। শিক্ষকদের বেতন সংক্রান্ত প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে অর্থ ছাড় করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। সেজন্য কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।

জানা গেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতা পান। তবে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সরকারি কোষাগার থেকে ছাড় হলেও তা রাষ্ট্রায়ত্ত আটটি ব্যাংকের মাধ্যমে ‘অ্যানালগ পদ্ধতিতে ছাড় হয়। এই অর্থ তুলতে শিক্ষকদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হত।

ব্যাংকগুলো মাধ্যমে বেতন-ভাতা ছাড়ের জন্য কয়েক পর্যায়ে অনুমোদনসহ সংশ্লিষ্ট কাজে অনেক ক্ষেত্রেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পেতে দেরি হয়। অনেক সময় পরের মাসের ১০ তারিখের পরও আগের মাসের বেতন-ভাতা জোটে।

বিগত সময়ে ঈদের পরে ঈদ উৎসব ভাতা পাওয়ার মত বিব্রতকর পরিস্থিতিতেও পড়তে হয়েছে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। ফলে তারাও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মত মাসের শুরুতে ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতা পাওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

এ পরিপ্রেক্ষিতে গত ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ইএফটিতে বেসরকারি শিক্ষকদের এমপিওর বেতন-ভাতা দেওয়ার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল-কলেজের ২০৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীর অক্টোবর মাসের এমপিও ইএফটিতে ছাড় হয়। পরবর্তীতে গত ১ জানুয়ারি এক লাখ ৮৯ হাজার শিক্ষক ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি স্কুল-কলেজের ৩ লাখ ৮০ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে ২ লাখ ৮৯ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য যাচাই করছে মাউশি। ২৭ হাজার শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য পায়নি সংস্থাটি। অবশিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের তথ্য পেলেও তাতে ত্রুটি থাকায় সেগুলো সংশোধন করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular