বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক বিএসএমএমইউ এর বায়েকেমিস্ট্রি ও মালিকুলার বায়োলজি ও ফার্মাকোলজি বিভাগের শিক্ষক নিয়োগে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী বহু যোগ্য প্রর্থীকে উপেক্ষা করে মাননীয় উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফার্মকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সায়েদুর রহমান ও সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাম্মেল হক তাদের ব্যাক্তিগত পছন্দের অযোগ্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর চাপ প্রয়োগ করছেন ।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে স্পশ্টভাবে উল্লেখ ছিল-অধ্যাপক পদে আবেদনকারীর ১২ বছরের সক্রিয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে । সহযোগী অধ্যাপক পদে আবেদনকারীর অন্তত তিন বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে অথবা ন্যূনতম চার বছর অন্যান্য সিকৃত প্রতিষ্ঠানে সহকারী অধ্যাপক পদে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
অথচ অনুসন্ধ্যানে দেখা গেছে ফার্মাকোলজি বিভাগের আলোচিত প্রার্থী ডাঃ জান্নাতুল ফেরদাউস এর ২০১৪ সন হতে
আরো জানা গেছে, ডা: জান্নাতুল কে নেওয়ার জন্য ফার্মাকোলজির কাউকে ভাইবা বোর্ডে না রেখে, চুক্তিভিত্তির ডাঃ অধির দাসকে রাখা হয়েছে । শুনা যায় ভিসির নির্দেশেই ডাক্তার অধিরকে রাখা হয়েছে ।
ডাক্তার সায়েদুর রহমানের পছন্দের প্রার্থীকে নেওয়ার জন্য নিয়ম পরিবর্তন করে অধিভূক্ত প্রতিষ্ঠান বাদ দেওয়া হয় যা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসি আইনের পরিপন্থি। ইতিপূর্বে এরকম নিয়োগের উনি বিরোধিতা করেছেন, অথচ এইবার উনি ডাক্তার জান্নাতুন ফেরদাউশ কে নেয়ার জন্য নিয়মের পরিবর্তন করেন ।
অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, অধ্যাপক সায়েদুর রহমান অবৈধ ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ২ টি পদ থেকে বিশেষ লিয়েন ছুটি নেয় এবং মাননীয় উপদেষ্টার স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী পদে যোগদান করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পদ তিনি ছাড়ে নাই, বিশ্ববিদ্যালয় এর কার্যক্রমে কর্তৃত্ব বজায় রেখেছেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় এর সকল কিছুতে হস্তক্ষেপ করেন ।ভিসি পদের মত একটা গুরুত্বপূর্ণ পদ ভারপ্রাপ্ত দিয়ে রেখেছেন । এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন পরিপন্থি ।
অধ্যাপক সায়েদুর রহমান আওয়ামী সময় ৫ বছর রেজিস্ট্রার, গত ১৫ বছর আইপি প্রধান ছিলেন, এছাড়াও উনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও বিভিন্ন কমিটিতে ছিলেন এই ১৫ বছর । এমনকি ১০০ কোটি টাকার প্রজেক্ট এর উনি একজন প্রধান হিসাবে ছিলেন ।
উনি ভিসি হবার পর দায়িত্বে থাকাকালীন আইটি বিভাগ এর সকলের চকুড়ি অবৈধ ভাবে স্থায়ি করেন এবং অনেক যোগ্য লোকদের বাদ দিয়ে তার পছন্দের লোক রাখেন । অথচ ৫ বছর রেজিস্ট্রার থাকর সময় বঞ্জিত ডাক্তাদের পদোন্নতিতে বাধা দেন ।
অপরপক্ষে ডাক্তার মিলিতা মোজাফফর ২০১৭ সালে রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারিতে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান, যা ২০২২ সালের ১০ মে কলেজের গভর্নি বডি অনুমোদন করে। সেই অনুযায়ী তিনি সহযোগী অধ্যাপক পদের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম চার বছর সহকারী অধ্যাপক নিয়মিত পদে চাকুড়ির শর্ত পুরণ করেননি । তিনি নিজেকে ২০১৭ সাল থেকেই সহকারী অধ্যাপক হিসেবে উল্লেখ করে মিথ্যা তথ্য প্রধান করেছেন, এই ভুয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে ২৭ মে ২০২৫ তারিখ অনুষ্ঠিত নিয়োগ বোর্ড সাক্ষাৎকারের জন্য নির্বাচন করেন। যদিও অনেক যোগ্য প্রার্থীকে সাক্ষাৎকারে ডাকা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে ।
সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোজাম্মেল হক নিয়োগ বোর্ডে ব্যাক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ডাক্তার মিলিভা মোজাফফরকে নির্বাচিত করেন এবং অধ্যাপক মোজাম্মেলহক ২০২৪ সালের নভেম্বরে অবসর উত্তর ছুটিতে গেলেও একনো নিয়মিতভাবে বিভাগে অফিস করছেন, নিজের কক্ষ দখলে রেখেছেন এবং বিভাগীয় কার্যক্রম কর্তৃত্বব জায় রেখেছেন।
শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা এ ধরণের শিক্ষক নিয়োগ ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন,



