ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedচাঁদাবাজি ও প্রাণ নাশের হুমকিতে বাড়ী ছাড়া নরসিংদীর ব্যাবসায়ী

চাঁদাবাজি ও প্রাণ নাশের হুমকিতে বাড়ী ছাড়া নরসিংদীর ব্যাবসায়ী

বিশেষ প্রতিবেদক: বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি ও সমাজসেবক জনাব শহিদুজ্জামান চৌধুরী বিগত ৩রা জুলাই ২০২৫ এশার নামাজের পর মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় তার উপর দেশীয় ও নাম না জানা বিভিন্ন আগ্নোস্ত্র নিয়ে একদল উচ্ছৃঙ্খল চিহ্নিত সন্ত্রাসী সুমন চৌধুরীর নেতৃত্বে তার উপর আক্রমন চালায়, পরবর্তীতে তাকে নরসিংদীর সদর উপজেলার বানিয়াচল ঈদগাহ ময়দানে আটক করে তার উপর শারীরীক নির্যাতন চালায় এবং তার কাছে নগদ ৩০ লাখ টাকা দাবী করে । এলাকাবাসী খবর পেয়ে শহিদুলজ্জামান চৌধুরীকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যায় ।

পরবর্তীতে সুমন চৌধুরী আবারো তার বাড়িতে হামলা চালায় । হামলায় বেশ কিছু লোকজন হতাহত হয় ।  এবং শহিদুজ্জামান চৌধুরীর মালিকানাধীন দোকানগুলোতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও লোকজনকে মারধর করে ২৫ থেকে ৩০ দোকান দখল করে নেয় ।বর্তমানে উক্ত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চরম অবনতি ঘটেছে, সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্কবিরাজ করছে ।

উক্ত এলাকা সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করে আমাদের প্রতিনিধি জানান, ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন । এলাকাবাসি বলেন, শহীদ সাহেব পারিবারীক ভাবেই সম্ভ্রান্ত ও দয়ালু ও পরহেজগার মানুষ । আমরা কখনো তার কোন ত্রুটিবিচ্যুতি দেখিনি, অন্যদিকে সুমন চৌধুরী মাদক ব্যাবসা, চাদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কারনে যুবদল থেকে বহিস্ক্রিত ও বিএনপির কর্মকান্ড থেকে দীর্ঘদিন বিতাড়িত ছিল, এলাকাবাসি আরো বলেন আমাদের জীবনে অত্রএলাকায় এধরনের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য কখনো দেখিনি, আমাদের জানমালের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃ্ষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি ।

উক্তঘটনায় খতিগ্রস্থ ও নির্যাতিত জনাব শহিদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমি আমার পৈত্রিক বাড়ির সামনে নিজ ও রেলওয়ের জায়গা বানিজ্যিক লিজ নিয়ে বেশ কয়েক বছর যাবত ব্যবসা ও ভাড়া দিয়া আসিতেছি । আমি নিয়মিতভাবে জমি ও ঘড় ভাড়া রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে পরিশোধ করে আসতেছি যার পরিমান বার্ষিক প্রায় দশ লক্ষ টাকা । দোকানগুলিতে ৩০ টি পল্লীবিদ্যুতের মিটার রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আমার ও ব্যাবসায়ীদের নিরাপত্তার বিষয় চিন্তা করে স্থানীয় প্রশাসনের দারস্থ হই। আমি পুলিশ সুপার ও নিকটস্থ সেনা ব্যারাকের কমান্ডাকে উক্ত ঘটনা অবগত করি এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসী সুমন চৌধুরীর ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানাই । কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে আমি এখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি, যার কারনে নিজ বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র অবস্থান করছি।  সন্ত্রাসীরা ব্যাবসায়িদের ভয়ভীতি দেখিয়ে  লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে । তারা হুমকি দিয়ে বলছে এখন থেকে আমার কাছে মাসিক ভাড়া পরিশোধ করতে হবে এবং আমার লোকজনের দৈনিক খরচ বাবদ ৩০০-৫০০ টাকা পরিশোধ করতে হবে অন্যথায় এখানে কেউই ব্যবসা বানিজ্য করতে পারবে না ।

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular