ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedজুলাই ঘোষণাপত্রে সংবিধানকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে

জুলাই ঘোষণাপত্রে সংবিধানকে অবমূল্যায়ন করা হয়েছে

জুলাই ঘোষণাপত্রে ১৯৭২ এর সংবিধান প্রণয়নপদ্ধতি এবং সাংগঠনিক কাঠামোগত দূর্বলতা নিয়ে যে প্রশ্ন উখবাপন করা হয়েছে গণফোরাম তার তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

বুধবার (০৬ আগস্ট) বিকাল ৫ টায় গণফোরাম সভাপতি পরিষদের এক সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৭১ সনের ২৬ মার্চে স্বাধীনতা ঘোষণা এবং ১০ এপ্রিলের প্রোক্লেমেশন অব ইন্ডিপেন্ডেট এর ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর উহার ধারাবাহিকতায় ১৯৭২ সনে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়। দীর্ঘ ৫৩ বছরে কোন রাজনৈতিক দল বা সরকার ‘৭২ এর সংবিধানের প্রণয়ন পদ্ধতি নিয়ে কখনো প্রশ্ন উথ্থাপন করেনি।

সভায় বলা হয়, সংবিধান সময়ের প্রয়োজনে জনআকাংখা অনুযায়ী সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন হতে পারে কিন্তু সংবিধানের প্রণয়ন পদ্ধতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হলে মুক্তিযুদ্ধকেই বিতর্কিত করা হয়। একমাত্র মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী শক্তিই বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধ এবং ৭২ এর সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন তুলে থাকে৷ অন্তর্বতীকালীন সরকার ৭২ এর সংবিধানের প্রণয়নপদ্ধতি এবং কাঠামোগত দূর্বলতা নিয়ে জুলাই ঘোষণাপত্রে বিতর্ক সৃষ্টি করার কারণে মুক্তিযুদ্ধ এবং জ্বলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থানকে-ই প্রশ্নবিদ্ধ করে ফেলেছে ।

নেতৃবৃন্দ বলেন, শুধুমাত্র ‘৭২ সানের সংবিধানকে দায়ী করে পরবর্তী সরকারগুলির রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যর্থতাকে আড়াল করার হীনমানসিকতা পরিলক্ষিত হয়েছে৷ রাষ্ট্র পরিচালনায় রাজনৈতিক দলের ব্যর্থতাকে কোনভাবেই সংবিধানের উপর চাপিয়ে দেওয়া যুক্তিসঙ্গত হবে না৷

গণফোরাম এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট সুৰ্ত চৌধুরীর সভাপতিত্বে দলের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমান, সভাপতি পরিষদ সদস্য জ্যেষ্ঠ এডভোকেট জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোশতাক আহমেদ, মেজবাহ উদ্দিন, এডভোকেট সেলিম আকবর, এডভোকেট সুরাইয়া বেগম, শাহ নূরুজ্জামান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন৷

জুলাই ঘোষণাপত্র তৈরি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির মতামত গ্রহণে বৈষম্য করা হয়েছে। বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ব্যবস্থা গঠনের দাবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে৷ জুলাই ঘোষণাপত্রে ভবিষ্যত রাষ্ট্র ব্যবস্থার কোন রূপরেখা স্থান পায়নি। জুলাই ঘোষণাপত্র একতরফা , পক্ষপাতদৃষ্ট এবং ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা লক্ষণীয় ৷ অন্যদিকে ৩৬ জুলাই উদযাপন অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করা হয়েছে, যা কাম্য নয়।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular