ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeঅপরাধবরগুনায় বিএনপি অফিস ভাঙচুরের মামলায় ১২ আইনজীবী কারাগারে

বরগুনায় বিএনপি অফিস ভাঙচুরের মামলায় ১২ আইনজীবী কারাগারে

বরগুনা জেলা বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় ১২ জন আইনজীবীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ মো. সাইফুর রহমান এ আদেশ দিয়েছেন। পাবলিক প্রসিকিউটর মো. নুরুল আমীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কারাগারে যাওয়া আইনজীবীরা হলেন- বরগুনা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবুল বারী আসলাম, মো. মজিবর রহমান, মো. হুমায়ুন কবির, মো. নুরুল ইসলাম, মো. মজিবুল হক, হুমায়ুন কবির পল্টু, জুনায়েত হোসেন জুয়েল, আবদুল্লাহ আল মামুন, ইমরান হোসাইন, সাইমুল ইসলাম রাব্বি, আবদুর রহমান জুয়েল ও আমিরুল ইসলাম মিলন।

জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম নজরুল ইসলামের ছেলে এসএম নঈমুল ইসলাম ২০২৩ সালের ১৭ মার্চের ঘটনা দেখিয়ে দুই বছর পরে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল বরগুনা থানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলা করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ওই দিন বেলা ১১টায় বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শমভু, সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীর, সাবেক এমপি গোলাম সরোয়ার টুকু, সাবেক এমপি শওকত হাচানুর রহমান রিমনের নেতৃত্বে ১৫৮ জন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী বরগুনা জেলা বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ৯ লাখ ৪৫ হাজার টাকার ক্ষতি করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামিরা হাইকোর্ট থেকে চলতি বছরের ২ জুলাই ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়ে ২১ জুলাই বরগুনার জেলা ও দায়রা আদালতে জামানতনামা দাখিল করেন। হাইকোর্টের জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ২৪ জুলাই আসামিরা আবার একই আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক নথি তলব করে জামিন শুনানির জন্য রাখেন।

মঙ্গলবার আসামিরা ওই আদালতে হাজির হলে শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে ১২ জন আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আবদুল মোতালেব মিয়া ও মো. হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা আবার একই আদালতে জামিনের আবেদন করব। আসামিরা কোর্ট অফিসার। তারা প্রতিনিয়ত কোর্টে থাকেন। তাদের পলাতক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া দুই বছর পূর্বের একটি মামলা। আইনজীবীদের মধ্যে অনেকে আওয়ামী লীগের সদস্যও নয়। তাদেরও আসামি করা হয়েছে। যিনি বাদী হয়ে মামলা করেছেন তারও রাজনৈতিক কোনো পরিচয় নেই।

রাষ্ট্রপক্ষের পিপি মো. নুরুল আমীন বলেন, এই মামলাটি বিশেষ ক্ষমতা আইনে রুজু হয়েছে। ধারা জামিনের অযোগ্য। আসামিরা দোষী বা নির্দোষ কিনা তা বিচারের সময় আদালত দেখবেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular