সিলেট ও মৌলভীবাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে দুজনের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। গতকাল মঙ্গলবার সংগঠনের বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের ঘটনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হেফাজতে নাগরিকের নিরাপত্তাবিষয়ক অধিকারকে হুমকির মুখে ফেলছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সিলেটে র্যাবের হেফাজতে থাকা তানভীর চৌধুরীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ১৩ সেপ্টেম্বর সিলেটের জৈন্তাপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৯ এর অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি গলায় কম্বল পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে র্যাব-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে। এ ছাড়া ১৫ সেপ্টেম্বর মৌলভীবাজারে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) হাজতখানার একটি কক্ষে মো. মকদ্দুছ মিয়া নামে এক আসামির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনা সরাসরি মানবাধিকারের লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার জবাবদিহির অভাবকে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত করে। এ ধরনের ঘটনা জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি আস্থা ক্ষুণ্ন করে এবং সংবিধান প্রদত্ত জীবন ও মানবিক মর্যাদার মৌলিক অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করে।
এতে আরও বলা হয়, প্রায়ই লক্ষ্য করা যায়– আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যুর মতো গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রমাণ সংগ্রহের যথাযথ প্রক্রিয়া নিশ্চিত হয় না। হেফাজতে মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনার যথাযথ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা অপরিহার্য।



