শহরের ‘তেহরানঞ্জেলেস’ এলাকাটি মূলত ১৯৭০ শেষের দিকে ইসলামি বিপ্লবের পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা হাজার হাজার ইরানি পরিবারের আবাসন। বর্তমান ইরান সরকারের প্রতি তীব্র ক্ষোভের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এই প্রবাসী ইরানিদের অনেকেই যে মাঠে জাতীয় দলের বিপক্ষে অবস্থান নেবেন, ব্যানার প্রদর্শন করবেন কিংবা স্লোগান দিয়ে গলা ফাটাবেন, তা দলের তারকা স্ট্রাইকার মেহেদি তারেমি এবং কোচ আমির ঘালেনোয়ই দুজনেই ভালো করে জানেন।
তবে মাঠের বাইরের এই রাজনৈতিক উত্তাপ ও সম্ভাব্য বিরূপ পরিস্থিতি নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন তারা। সমস্ত বিতর্ক দূরে ঠেলে ফুটবলাররা মাঠের খেলায় শতভাগ মনোযোগী হতে চান।
স্ট্রাইকার তারেমি এ বিষয়ে জানান, তাদের লক্ষ্য কেবলই ফুটবল এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করা। ক্ষুব্ধ প্রবাসীদের প্রতি সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রবাসী কিংবা ইরানে থাকা- সব ইরানির জন্যই খেলি। মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মতামত থাকতেই পারে, কিন্তু আমরা এখানে এসেছি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং বিশ্বের যেখানেই ইরানিরা থাকুক না কেন, তাদের মুখে হাসি ফোটাতে। আমরা রাজনীতির সঙ্গে জড়াতে চাই না। আমরা এখানে কেবল ফুটবল খেলতেই এসেছি।’শহরের ‘তেহরানঞ্জেলেস’ এলাকাটি মূলত ১৯৭০ শেষের দিকে ইসলামি বিপ্লবের পর দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা হাজার হাজার ইরানি পরিবারের আবাসন। বর্তমান ইরান সরকারের প্রতি তীব্র ক্ষোভের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত এই প্রবাসী ইরানিদের অনেকেই যে মাঠে জাতীয় দলের বিপক্ষে অবস্থান নেবেন, ব্যানার প্রদর্শন করবেন কিংবা স্লোগান দিয়ে গলা ফাটাবেন, তা দলের তারকা স্ট্রাইকার মেহেদি তারেমি এবং কোচ আমির ঘালেনোয়ই দুজনেই ভালো করে জানেন।
তবে মাঠের বাইরের এই রাজনৈতিক উত্তাপ ও সম্ভাব্য বিরূপ পরিস্থিতি নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন তারা। সমস্ত বিতর্ক দূরে ঠেলে ফুটবলাররা মাঠের খেলায় শতভাগ মনোযোগী হতে চান।
স্ট্রাইকার তারেমি এ বিষয়ে জানান, তাদের লক্ষ্য কেবলই ফুটবল এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করা। ক্ষুব্ধ প্রবাসীদের প্রতি সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রবাসী কিংবা ইরানে থাকা- সব ইরানির জন্যই খেলি। মানুষের ভিন্ন ভিন্ন মতামত থাকতেই পারে, কিন্তু আমরা এখানে এসেছি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং বিশ্বের যেখানেই ইরানিরা থাকুক না কেন, তাদের মুখে হাসি ফোটাতে। আমরা রাজনীতির সঙ্গে জড়াতে চাই না। আমরা এখানে কেবল ফুটবল খেলতেই এসেছি।’




