ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশসরিষাবাড়ীতে কালি মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর, এলাকাবাসী বলছেন রহস্যজনক

সরিষাবাড়ীতে কালি মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর, এলাকাবাসী বলছেন রহস্যজনক

নিজস্ব প্রতিবেদক : জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে রহস্যজনকভাবে মহাশ্মশান কালি মাতা মন্দিরে ৭টি প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে পৌরসভার কামরাবাদ এলাকায় কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান কালী মাতা মন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ, ডিবি, ডিএসবি, এনএসআই ও সেনাবাহিনী সহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

পুলিশ ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে আধারে সরিষাবাড়ী পৌরসভার কামরাবাদ এলাকায় সরিষাবাড়ী কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান কালী মাতা মন্দিরের প্রধান ফটক ও তালা রক্ষত রেখেই কে বা কারা এই প্রতিমাগুলো ভাঙচুর করে। প্রতিমা ভাঙচুরের এ ঘটনাকে পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় অনেকেই রহস্যজনক বলে ধারণা করছেন।

এদিকে বিভিন্ন সূত্র জানায়, সরিষাবাড়ী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রসিদ্ধ কয়েকটি মন্দির কমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ দুইটি গ্রুপে বিরোধ চলে আসছে। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রী রমেশ চন্দ্র সূত্রধর ও দীপক কুমার সাহা। অপরটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন শ্রী কালা চাঁন পাল ও এ্যাড.শিবলু কুমার ঘোষ। তাদের এ আধিপত্য বিরোধ জের ধরে কোর্টে একটি মামলা চলমান রয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, শ্রী শ্রী খাগুরিয়া কালি মাতা মন্দির ও সরিষাবাড়ী রেল স্টেশন এলাকায় অবস্থিত আর কে মিশন কমিটির পদপদবি নিয়ে এ বিরোধের সৃষ্টি। ধারনা করা হচ্ছে, নিজেদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারের অপরাজনীতির শিকার হচ্ছে এসব মন্দির ভাঙচুর ও চুরির ঘটনা।

মন্দির কমিটির সভাপতি উত্তম কুমার জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মন্দিরে পূজা-অর্চনা চলে। পরে মন্দিরের লোকজন বাড়ি চলে যায়। এরপর শুক্রবার ভোরে পূজা দিতে গেলে মন্দিরের গেট খোলা দেখতে পায়। এসময় মন্দিরের ভিতরে গিয়ে দেখা যায় কালি মুর্তি, মহাদেব, ডাকুনি, ঝুকুনি, শীতলা, শেয়াল পন্ডিত ও মহাকাল ভৈরব এই ৭টি প্রতিমা দুর্বৃত্তরা ভাংচুর ও দানবাক্স, প্রতিমার স্বর্ণলংকার নিয়ে যায়। এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান মন্দির কমিটি।

এদিকে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) চাঁদ মিয়া জানান, সংবাদ শুনেছি। পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এখনো কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে জামালপুর জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল মাহমুদ বলেন, ঘটনাস্থল আমরা পরিদর্শন করেছি। তদন্ত করে এর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular