সুমন দত্ত: নারী আন্দোলনের দাবিগুলোকে ৮টি বিষয়ে একত্রীকরণ করে ক. আইন ও নীতি; খ. প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং গ. সেবা সংক্রান্ত কার্যক্রম এই তিনটি ভাগে ভাগ করে স্বল্প (৬ মাসের মধ্যে), মধ্য (১ বৎসরের মধ্যে) ও দীর্ঘমেয়াদি (৩বৎসর ও এর ঊর্ধ্বে) কর্মপরিকল্পনার প্রস্তাবনা তৈরি করেছে নারীপক্ষ।
শনিবার সকাল ১১.৩০ টায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি এর নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘‘নারীর অধিকার ও মুক্তি: প্রত্যাশা ও করণীয়’’ শিরোনামে সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রস্তাবনা দেওয়া্ হয়।
নারীপক্ষ’র সভানেত্রী গীতা দাসের সভাপতিত্বে এবং সদস্য মাহীন সুলতানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে নারীদের অধিকার সমূহ কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন। সমাজের কোন কোন ক্ষেত্রে নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। সম্পত্তির মালিকানার ক্ষেত্রে নারী পূরুষ সমান অধিকার পান না বলে তারা জানান।
রাষ্ট্রের আইন সবার জন্য একরকম হতে হবে এমন মত পোষণ করনে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নারীরা। ধর্মীয় আইন দ্বারা তারা শোষিত হতে চান না । রাষ্ট্র হতে হবে ধর্ম নিরেপক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক। রাষ্ট্র সংস্কারে নারীদের দাবিগুলো সরকার কে কীভাবে জানানো যায় তার পর্যালোচনা করেন তারা। নারীর সুরক্ষায় রাষ্ট্র কি করতে পারে তা নিয়ে বিভিন্ন মত দেওয়া হয়।



