বিজয় কর রতন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জকে বলা হতো আওয়ামী লীগের ঘাঁটি। গত ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের পর সেখানে এখন দলের কোনো কার্যালয়ই নেই। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নেতারা সবাই আত্মগোপনে। এই দলের মিত্র জাতীয় পার্টির অবস্থাও নাজুক। তবে একেবারে বিপরীত চিত্র বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর। এই দুই দলের কার্যালয় সরগরম, বেড়েছে নেতা–কর্মীদের আনাগোনা। রাজনীতির ময়দানে নতুন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কোনো কমিটি এখানে হয়নি।
কিশোরগঞ্জ জেলার রাজনীতির দৃশ্যপট পুরোটাই পাল্টে গেছে। এখন জেলার রাজনীতির মাঠে বিএনপি আর জামায়াত বেশ সক্রিয়। দল দুটি সংগঠনকে গোছানোর পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের মাঠ গোছাচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী আসনে এখন বেশ সক্রিয়। সুযোগ পেলেই জনসংযোগের পাশাপাশি যোগ দিচ্ছেন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে।
জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে নির্বিঘ্ন ও বাধাহীন পরিবেশে দলীয় কর্মসূচি, সভা-সমাবেশসহ নানা সাংগঠনিক কর্মকান্ড করা যাচ্ছে। প্রতিটা আসনে বিএনপির নেতা-কর্মীরা এখন সক্রিয়।



