ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসংগঠন সংবাদআন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সহ-সভাপতি পদে বাংলাদেশের নাহিদা সোবহান

আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের সহ-সভাপতি পদে বাংলাদেশের নাহিদা সোবহান

নিউজ ডেস্ক : আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছে বাংলাদেশ। সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সর্বসম্মত সমর্থনে সম্মেলনের (আইএলসি) সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান।

মঙ্গলবার (২ জুন) জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্মেলনের সভাপতি উরুগুয়ের শ্রম ও সামাজিক সুরক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী জুয়ান কাস্টিলো এবং অন্য দুই সহ-সভাপতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টেন কফম্যান ও আর্জেন্টিনার জেরার্দো মার্তিনেজের পাশাপাশি নাহিদা এ দায়িত্ব সামলাবেন।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) প্রতি বছর শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে।

জানা যায়, শ্রম অধিকার, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারসংক্রান্ত বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনকে আইএলওর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সম্মেলনে বাংলাদেশি প্রতিনিধির এ নির্বাচনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত ১ জুন অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে আইএলও’র ১৮৭টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা সর্বসম্মত সমর্থন জানান।

বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের মতে, এই নির্বাচন বৈশ্বিক শ্রম ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণ, শোভন কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ, শ্রমিকের অধিকার সুরক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দেশের অঙ্গীকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিফলন।

এছাড়া শ্রম খাতে উদ্ভূত নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের ভূমিকারও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মিলেছে এই নির্বাচনের মাধ্যমে।

সহ-সভাপতির দায়িত্বে থেকে বাংলাদেশ আইএলওভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতৈক্য গড়ে তুলতে এবং নীতিনির্ধারণী আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনকে (আইএলসি) বিশ্বের ‘শ্রম সংসদ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, যা আইএলওর সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম।

কাজের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার জন্য এই সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে সরকার, শ্রমিক সংগঠন এবং নিয়োগকর্তাদের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এ বছরের সম্মেলনে প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular