বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) কর্তৃপক্ষের হল ছাড়ার নির্দেশনা প্রত্যাখ্যান করে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে তারা নগরীর জব্বারের মোড় এলাকায় রেলপথ অবরোধ করে রেখেছেন। ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
ভেটেরিনারি ও পশুপালন অনুষদের ডিগ্রি একীভূত করে একটি সমন্বিত ডিগ্রি চালুর দাবিতে রোববার দিনভর ২৫১ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের হামলায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন।
এই পরিস্থিতির জেরে রোববার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়। তবে কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশনা প্রত্যাখ্যান করে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাদের যৌক্তিক দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। বহিরাগতদের হামলার বিচার ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুনির হোসাইন মঙ্গলবার দুপুর ১টায় সমকালকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে পুলিশ প্রশাসনের কাছে ন্যস্ত করা রয়েছে। রেললাইনের অবরোধের বিষয়টি রেল কর্তৃপক্ষ দেখবে। রেল ক্রসিংয়ের ওই জায়গাটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নয়।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকরা মারাত্মক হুমকির মধ্যে রয়েছেন। প্রতিরাতে বিভিন্ন শিক্ষকদের বাসার সামনে গিয়ে ছাত্ররা গালাগাল করেন। তারা মব সৃষ্টি করে আমাদের ওপর হামলা করতে চায়।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আক্তার হোসেন সমকালকে জানান, বেলা ১১টা ৫৫ মিনিট থেকে শিক্ষার্থীর রেলপথ অবরোধ করেন। ফলে মহুয়া কমিউটার ট্রেনটি ফাতেমানগর স্টেশনে আটকা আছে। তাছাড়াও বাকি কয়েকটি ট্রেন দুপুর দেড়টার পরে এই পথে আসার কথা রয়েছে।



