ঢাকা  , ;           সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeজাতীয়ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক: ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর লক্ষ্যে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর এর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বুধবার বেলা সাড়ে ৩টায় সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে প্রথম আধা ঘণ্টা ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব।

মোহাম্মদ এনামুল হক তার প্রশ্নে দেশের অর্থনীতির লাইফলাইন চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকার যাতায়াতে সময় ও দূরত্ব কমিয়ে আনার লক্ষ্যে ইলেকট্রিক ট্রেন (বুলেট ট্রেন) চালুর পরিকল্পনা সরকারের আছে কি-না এবং থাকলে কবে নাগাদ তা বাস্তবায়ন করা হবে-তা জানতে চান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনার জন্য ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অর্থায়ন প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। ফলে ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় কমবে।’

এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব কমানোর লক্ষ্যে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের কাজও এগিয়ে চলছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম করিডোরের দূরত্ব কমানোর লক্ষ্যে ঢাকা থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত কর্ডলাইন নির্মাণের উদ্দেশে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ চলমান আছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে দূরত্ব কমবে এবং গড় গতি বৃদ্ধি পাবে। তাই অল্প সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে যাতায়াত করা যাবে।’

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে রূপান্তরের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এসব পদক্ষেপের আওতায় টঙ্গী-আখাউড়া ও লাকসাম-চট্টগ্রাম পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে লাকসাম-চট্টগ্রাম ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া টঙ্গী-আখাউড়া ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন শেষ পর্যায়ে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করি, এই দুটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে রেলওয়ের যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা ও ট্রেনের গতি বৃদ্ধি পাবে।’

আরো খবর
Continue to the category
- Advertisment -spot_img

Most Popular