নিজস্ব প্রতিবেদক: মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে দেশকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ফেলানো যাবে না।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ ও জনগণের দুর্ভোগ দুর্দশা থেকে রক্ষা করতে দ্রুত অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই। জনগণ ভোট দিতে চায়, শেখ হাসিনা জনগণকে ভোট দিতে দেয়নি। তাই ড. মোহাম্মদ ইউনুস সরকারকে দ্রুত ভোট দিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
গণতন্ত্র, আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে আসুন ঐক্যবদ্ধ হই শীর্ষক গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় ভার্চুয়ালি তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, জুলাই প্রক্লেমেশন দিতে হবে আন্দোলনরত সবাইকে নিয়ে। অর্থাৎ যাঁরা স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়েছে তাদের সবাইকে নিয়ে দিতে হবে। নুন্যতম সংস্কার করে অবিলম্বে নির্বাচন দিতে হবে, জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিবে এবং পূর্ণ সংস্কার করবে।
জুলাই আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মূলভিত্তি বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে ৫ই আগষ্টের ঐক্য সমুন্নত রাখতে হবে এও বলেন তিনি।
সভাপতি মন্ডলীর সদস্য সুব্রত চৌধুরী বলেন, বর্তমান অর্ন্তবর্তী সরকারে কাছে জন মানুষের আকাংখা দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কারের প্রস্তাবনা তৈরী করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা ।
সৈরাচারী সরকারের আমলের দূর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদ ও কর্মকর্তাদের বিচার আওতায় আনতে হবে বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ছাত্ররা সৈরাচারী সকারকে উৎখাতে অগ্রগনী ও সাহসী ভূমিকা পালন করেছে। এখন তাদের উচিৎ শিক্ষাঙ্গনে ফিরে যাওয়া উচিৎ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, এস এম আলতাফ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, জগলুল হায়দার আফ্রিক, মোস্তাক আহমেদ, অ্যাডভোকেট সেলিম আকবর, অ্যাডভোকেট সুরাইয়া বেগম, ডা, মো: মিজানুর রহমান, শাহ নুরুজ্জামান, লতিফুল বারি হামিম, রওশন ইয়াজদানি, মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, রফিকুল ইসলাম পথিক, অ্যাডভোকেট সানজিদ রহমান শুভ, মমেনা আহমেদ মম।



