চট্টগ্রাম প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়ে ইম্প্রুভমেন্ট প্রজেক্ট-১ প্রকল্প কার্যকর করতে এর পুনর্বাসন (রিসেটেলমেন্ট) কাজ বাস্তবায়নের জন্য কনসালট্যান্ট (পরামর্শক) নিয়োগ করা হয়েছে।
কিন্তু নিয়োগ-প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বার্থের দ্বন্দ্বের (কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট) অভিযোগ সত্ত্বেও কেএমসি (নলেজ ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট) লিমিটেডকে এই কাজটি দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, কেএমসি লিমিটেড সোশ্যাল কাজের অংশবিশেষ পুনর্বাসন (রিসেটেলমেন্ট) কাজ বাস্তবায়নে সম্পৃক্ত ছিল। ফলে বর্তমান অ্যাসাইনমেন্টে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট এবং অন্যায্য প্রতিযোগিতামূলক সুবিধার (আনফেয়ার কমপিটিটিভ অ্যাডভান্টেজ) বিষয়টি সুস্পষ্ট।
অভিযোগে বলা হয়, পিপিআর-২০২৫-এর রুল ৭১, শিডিউল-১৩ এবং সংশ্লিষ্ট রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (আরএফপি)-এর ক্লজ ৮, ক্লজ ৯.২, ক্লজ ১০ ও ক্লজ ১২ বিবেচনায় কেএমসি লিমিটেডকে এই কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট বিবেচনায় বরং কেএমসি লিমিটেড অযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা।
একই সঙ্গে জিকার (জেআইসিএ) গাইডলাইন অনুসারেও অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া অন্যায্য ও অন্যায়। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী যেকোনো প্রকল্পের কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে মূল পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বা সেই প্রতিষ্ঠানের সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে কাজ না দেওয়ার কথা বলা আছে।



