ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশপটুয়াখালী মেডিকেলের বহির্বিভাগে তালা, চিকিৎসক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

পটুয়াখালী মেডিকেলের বহির্বিভাগে তালা, চিকিৎসক-শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে তালা লাগিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু করেছে চিকিৎসক, নার্স ও শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে কর্মবিরতি শুরু হয় এবং বহির্বিভাগের সকল গেটে তালা লাগিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। এতে হাসপাতালের বহির্বিভাগের চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায় এবং দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ রোগীরা।

জুনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি) ডাক্তার এ.এম.এস শামীম আল আজাদকে ওএসডি করার প্রতিবাদে এবং আদেশ প্রত্যাহার, হাসপাতাল ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করার দাবীতে আন্দোলন করেন তারা।

এ সময় দাবিগুলো তুলে ধরে বক্তব্য দেন ইন্টার্ন ডাক্তার সাদিয়া রহমান রিমি, তিথি রানী ও শিক্ষার্থী তহিদুল ইসলাম, মো. তাসলিম রহমান, সুমাইয়া আক্তার মারিয়া প্রমুখ।

আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা জানায়, যতদিন পর্যন্ত ডা. শামীম আল আজাদের ওএসডি’র আদেশ প্রত্যাহারসহ তাদের তিন দফা দাবি বাস্তবায়ন না হবে ততদিন পর্যন্ত এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের ছাত্র হোসাইন মোহাম্মদ আশিক গত ১৪ এপ্রিল (সোমবার) বিকেলে ক্যাম্পাসে ফুটবল খেলার সময় পুকুরে ডুবে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে, এরপর স্থানীয় একটি হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে পমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। এ মৃত্যুর জন্য হাসপাতালের চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগে তুলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হাসপাতাল ভাঙচুর করে এবং পরদিন শিক্ষার্থীরা দুমকীর লেবুখালীতে বিক্ষোভ মিছিল করে বরিশাল-দুমকী-বাউফল আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করেন।

এদিকে ১৬ এপ্রিল বিকেলে হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে প্রেস ব্রিফিং করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এ সময় তারা দাবি করেন চিকিৎসকরা রোগীকে যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছে। কিন্তু রোগীর মুখ দিয়ে রক্তপাত হচ্ছিল, যা র‌্যাগিংয়ের কারণে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। তারা দাবি করেন, এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। ওই শিক্ষার্থী কোনোভাবে সহিংস আচরণের শিকার হয়েছে। তাই চিকিৎসকরা মনে করেন মৃত শিক্ষার্থীর ময়নাতদন্ত করলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে।

 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular